কণ্ঠনীল

বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ


Breaking

Tuesday, March 24, 2026

March 24, 2026

শত অবহেলার পরও পাকিস্তানে টিকে থাকা সনাতনদের তীর্থস্থান কাটাসরাজ মন্দির

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের চক্রওয়াল জেলায় অবস্থিত কাটাসরাজ মন্দির কেবল একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, বরং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে টিকে থাকা সনাতন ধর্মের ইতিহাস, আস্থা ও সংগ্রামের এক জীবন্ত নিদর্শন। পাহাড়ঘেরা নিরিবিলি পরিবেশে অবস্থিত এই মন্দিরসমূহের সমষ্টি “কাটাসরাজ কমপ্লেক্স” নামে পরিচিত, যেখানে একাধিক প্রাচীন মন্দির, পুকুর এবং স্থাপত্য নিদর্শন রয়েছে।
হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, এই স্থানের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ভগবান শিব-এর গভীর একটি কাহিনি। বলা হয়, তাঁর পত্নী সতী-এর মৃত্যুর শোকে শিবের চোখ থেকে যে অশ্রু ঝরেছিল, তা থেকেই সৃষ্টি হয় এই পবিত্র কুণ্ড বা পুকুর। সেই থেকেই স্থানটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র তীর্থস্থান হিসেবে বিবেচিত।
ঐতিহাসিকভাবে ধারণা করা হয়, এই মন্দিরগুলোর প্রাচীনতম অংশ প্রায় এক হাজার বছরেরও বেশি পুরনো। হিন্দু শাহী রাজাদের আমলে এখানে মন্দির নির্মাণ ও সম্প্রসারণ ঘটে। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় মুসলিম শাসনামলেও এই স্থাপনা টিকে থাকে, যদিও ধীরে ধীরে এর জৌলুস কমে আসে।
১৯৪৭ সালের ভারত বিভাজন-এর পর পাকিস্তানে হিন্দু জনসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমে যায়। ফলে কাটাসরাজ মন্দিরও দীর্ঘদিন অবহেলা ও অযত্নে পড়ে থাকে। নিয়মিত পূজা, সংস্কার বা তীর্থযাত্রা প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। অনেক স্থাপনা ভেঙে পড়ার মুখে পড়ে এবং ঐতিহাসিক কাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি বাড়তে থাকে।
তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই মন্দিরের ঐতিহ্য ও গুরুত্ব নতুন করে আলোচনায় আসে। পাকিস্তান সরকার এবং বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক সংস্থা কিছু সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেয়। মাঝে মাঝে ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে হিন্দু তীর্থযাত্রীরাও এখানে আসেন, বিশেষ করে মহাশিবরাত্রি উপলক্ষে।
তবুও সমস্যার শেষ হয়নি। আশেপাশের শিল্পকারখানার কারণে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কমে যাওয়ায় পবিত্র কুণ্ডের পানি অনেক সময় শুকিয়ে যায়, যা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ভক্তদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। পাশাপাশি নিরাপত্তা, সংরক্ষণ এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।
সব প্রতিকূলতার মধ্যেও কাটাসরাজ মন্দির আজও দাঁড়িয়ে আছে এক অটল প্রতীক হিসেবে—যেখানে ইতিহাস, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং সংখ্যালঘু সনাতনীদের অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম একসূত্রে গাঁথা। এটি শুধু একটি তীর্থস্থান নয়, বরং একটি বার্তা—সময় যতই বদলাক, আস্থা ও ঐতিহ্যকে মুছে ফেলা যায় না।


 

March 24, 2026

প্রাচীন ভারতের ঐতিহ্যের জীবন্ত নিদর্শন ধবংস ও পুনঃরুত্থান

 

ভারতের ওড়িশা রাজ্যের রাজধানী ভুবনেশ্বর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত চৌষট্টি যোগিনী মন্দির, যা “মহামায়া মন্দির” নামেও পরিচিত। প্রাচীন ভারতের তান্ত্রিক সাধনা ও শক্তি উপাসনার এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে এই মন্দির আজও ইতিহাস, ধর্ম এবং স্থাপত্যপ্রেমীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। এখানে উপাসনা করা হয় যোগিনী নামে পরিচিত দেবী-সদৃশ শক্তিরূপগুলোর, যাদের হিন্দু তান্ত্রিক দর্শনে বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এই মন্দিরের সবচেয়ে ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্য হলো এর ছাদবিহীন বা হাইপেথ্রাল স্থাপত্যশৈলী। খোলা আকাশের নিচে নির্মিত এই গোলাকার মন্দিরটি তান্ত্রিক উপাসনার দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। তান্ত্রিক বিশ্বাস অনুযায়ী, প্রকৃতির পাঁচটি মৌলিক উপাদান—অগ্নি, জল, বায়ু, পৃথিবী ও আকাশ—এই সাধনার মূল ভিত্তি। সেই কারণেই এখানে পূজা-অর্চনা এমনভাবে সম্পন্ন হয় যাতে ভক্তরা সরাসরি প্রকৃতির সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে পারেন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, যোগিনীরা আকাশে বিচরণে সক্ষম, যা এই উন্মুক্ত স্থাপত্যের পেছনে একটি প্রতীকী ব্যাখ্যা প্রদান করে।

মন্দিরের ভেতরে স্থাপিত যোগিনী মূর্তিগুলো শক্তির বহুমাত্রিক প্রকাশকে ফুটিয়ে তোলে। হিন্দু দর্শনে আদিশক্তি সর্বোচ্চ সৃষ্টিশক্তি হিসেবে বিবেচিত, যিনি নিজ থেকেই সৃষ্টির সূচনা করেন এবং সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে ধারণ করেন। সেই আদিশক্তির বিভিন্ন রূপই এখানে যোগিনীদের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। মূর্তিগুলিতে মানবজীবনের নানান আবেগ—ক্রোধ, আনন্দ, দুঃখ, উল্লাস ও কামনা—শিল্পরূপে প্রতিফলিত হয়েছে। অধিকাংশ মূর্তিতে দেবীদের পশু, অসুর বা মানুষের মাথার উপর দণ্ডায়মান অবস্থায় দেখা যায়, যা অশুভ শক্তির উপর শুভ শক্তির বিজয়ের প্রতীক। ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায়, খ্রিস্টীয় নবম শতাব্দীতে ভৌম বংশের রানি শান্তিকরদেবী (দ্বিতীয়) এই মন্দির নির্মাণ করেন। অনেক গবেষকের মতে, এটি ভারতের প্রাচীনতম চৌষট্টি যোগিনী মন্দিরগুলোর একটি। স্থানীয় কিংবদন্তি অনুসারে, দেবী দুর্গা এক অসুর বধের জন্য ৬৪টি রূপ ধারণ করেছিলেন। যুদ্ধ শেষে সেই যোগিনীরা নিজেদের স্মরণীয় করে রাখতে একটি মন্দির নির্মাণের অনুরোধ জানান, যার ফলস্বরূপ এই মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে ইতিহাসের ধারায় এই মন্দির ধ্বংসযজ্ঞের শিকারও হয়েছে। জনশ্রুতি অনুযায়ী, ১৬শ শতকে মুসলিম সেনাপতি কালাপাহাড় মন্দিরে আক্রমণ চালিয়ে বহু মূর্তি ভেঙে ফেলেন। তিনি জগন্নাথ মন্দির এবং কোনার্ক সূর্য মন্দির ধ্বংসের সঙ্গেও জড়িত বলে পরিচিত।

স্থাপত্যের দিক থেকে মন্দিরটি ছোট হলেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রায় ২৫ ফুট ব্যাসের এই গোলাকার কাঠামোটি বেলেপাথরের ব্লক দিয়ে নির্মিত। এর অভ্যন্তরীণ দেয়ালের কুলুঙ্গিগুলোতে একসময় ৬৪টি যোগিনী মূর্তি স্থাপন করা ছিল, যার মধ্যে বর্তমানে প্রায় ৫৬টি টিকে আছে। মন্দিরের কেন্দ্রে স্থাপিত প্রধান দেবী কালী, যিনি একটি মানবমস্তকের উপর দাঁড়িয়ে আছেন—এটি অহংকার বা মনের উপর আত্মার বিজয়ের প্রতীক হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। পুরো মন্দিরটি একটি মণ্ডল পরিকল্পনার অনুসরণে নির্মিত, যেখানে সমকেন্দ্রিক বৃত্তের মাধ্যমে তান্ত্রিক দর্শনের গভীর প্রতীকী অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।

Thursday, March 19, 2026

March 19, 2026

সাতক্ষীরায় হিন্দু তরুণ চিকিৎসক ডা. সজীব দত্তের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া এলাকায় নিজ বাসভবন থেকে হিন্দু তরুণ চিকিৎসক ডা. সজীব দত্তের (২৭) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৮ মার্চ) ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, সকালে ঘরের দরজা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে তাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তার মা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। নিহত ডা. সজীব দত্ত সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া এলাকার বাসিন্দা এবং তপন কুমার দত্তের ছোট ছেলে। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করার পর ইন্টার্নশিপ শেষ করেন। এরপর উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষার জন্য লন্ডনে যান। সম্প্রতি তিনি লন্ডন থেকে দেশে ফিরে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি নিজের কক্ষে ঘুমাতে যান। পরদিন সকালে তার মা কাঞ্চন দত্ত পূজার জন্য তাকে ডাকতে গিয়ে কোনো সাড়া না পেয়ে সন্দেহ করেন। পরে দরজার ফাঁক দিয়ে উঁকি দিয়ে ছেলেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে
ডা. সজীব দত্তের মৃত্যুর ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে। অনেকে তার এই অকাল মৃত্যুতে শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন।


 

Wednesday, March 18, 2026

March 18, 2026

গোপালগঞ্জে দাম্পত্য কলহের জেরে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

 

গোপালগঞ্জে দাম্পত্য কলহের জেরে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নিহত দীপা দাস গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
সোমবার রাত ৮টার দিকে শহরের ঘোষপাড়া এলাকায় নিজ বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। মঙ্গলবার ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহের জেরে বাকবিতণ্ডা হয়। এর একপর্যায়ে দীপা দাস স্বামী ও সন্তানকে একটি কক্ষে রেখে পাশের ঘরে যান। পরে সেখানে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
তার স্বামী প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে তাকে দেখতে পান।
এ বিষয়ে বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জাকিয়া সুলতানা মুক্তা বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ দেখেছেন। প্রাথমিকভাবে দাম্পত্য কলহকেই এই ঘটনার কারণ হিসেবে জানা যাচ্ছে।
নিহতের সহপাঠী রিফাত ইসলাম বলেন, দীপা দাস অত্যন্ত মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। তার মৃত্যুতে সহপাঠীদের মধ্যে গভীর শোক নেমে এসেছে।
এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সওরাব জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই সঙ্গে দাম্পত্য কলহের ভয়াবহ পরিণতি নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।


Tuesday, March 17, 2026

March 17, 2026

শেষ শ্রদ্ধায় চিরবিদায় নিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রঞ্জিত চক্রবর্তী

 

বিশেষ প্রতিবেদক, কুমিল্লা: কুমিল্লা মহানগর যুব ঐক্য পরিষদের সহ-সভাপতি শ্রী রঞ্জিত চক্রবর্তীর পিতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রঞ্জিত চক্রবর্তী আর নেই। গতকাল ১৬ই মার্চ ২০২৬ইং রোজ সোমবার রাত ১২:৩৫ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন । তাঁর মৃত্যুতে কুমিল্লার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
​মঙ্গলবার বীর মুক্তিযোদ্ধা রঞ্জিত চক্রবর্তীর মরদেহে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর কুমিল্লার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
​বিশেষ করে, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ এবং বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদ, কুমিল্লা মহানগর ও জেলা শাখার নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়। নেতৃবৃন্দ তাঁর কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন।
​মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য শ্রী রঞ্জিত চক্রবর্তী চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর দেশপ্রেম এবং সাহসিকতা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।
​তাঁর এই চির বিদায়ে কুমিল্লার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। 
বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ, কুমিল্লা মহানগর শাখার সহ-সভাপতি রানা চক্রবর্তীর পিতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রঞ্জিত চক্রবর্তীর অকাল প্রয়াণে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।

ঔঁ দিব্যান্ লোকান্ স্ব গচ্ছতু।
 পরবর্তীতে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, কুমিল্লা জেলা ও মহানগর শাখা; বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ, কুমিল্লা জেলা ও মহানগর শাখা; এবং বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদ, কুমিল্লা জেলা ও মহানগর শাখার পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
মহান এই মানুষটির বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করছি। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি জানাই আমাদের আন্তরিক সমবেদনা।
হে পরম করুণাময়, আপনি তাঁকে চিরশান্তি দান করুন এবং তাঁর পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দিন। 
শ্রদ্ধাঞ্জলিতে উপস্থিত ছিলেন -চন্দন রায় সভাপতি বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখা, অধ্যক্ষ তাপস বকসী সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখা, কমল চন্দ খোকন আহ্বায়ক বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা মহানগর শাখা, শ্যামল কুমার কুন্ড যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ, বিকাশ দাশ সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা মহানগর, শ্যামল দে সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখা, উল্লাস দে শোভন সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদ, রমিত রবি দাস ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা মহানগর, পল্লব দত্ত আহ্বায়ক বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা, প্রিয়ম পাল সদস্য বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা মহানগর, সহ অন্যান্য নেত্রীবৃন্দ.


"
"