কণ্ঠনীল

বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ


Breaking

Sunday, April 19, 2026

April 19, 2026

খুলনায় দায়িত্ব পালনকালে গুলিতে রেলওয়ে পুলিশ সদস্যের মৃত্যু


খুলনায় দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হয়ে এক রেলওয়ে পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার ভোরে সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকা-এর খুলনা রেলওয়ে জেলা কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, নিজের অস্ত্র থেকেই গুলি ছুটে এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে; বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
নিহত কনস্টেবলের নাম সম্রাট বিশ্বাস (২৭)। তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার বাসিন্দা। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলনা রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার আহমেদ মাঈনুল হাসান।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোরের দিকে অস্ত্রাগার এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন সম্রাট বিশ্বাস। এ সময় তার ব্যবহৃত রাইফেল থেকে গুলি ছুটে মাথায় আঘাত লাগে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ সুপার জানান, সম্রাট বিশ্বাস দায়িত্বশীল ও কর্মঠ সদস্য হিসেবে পরিচিত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কোনো কারণে তিনি মানসিক চাপে থাকতে পারেন। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, নিহতের স্ত্রীও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য হিসেবে সাতক্ষীরা জেলায় কর্মরত আছেন। মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন হয়েছে এবং স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
এ ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে সহকর্মীদের মধ্যে। একই সঙ্গে ঘটনাটির সঠিক কারণ উদঘাটনে আইনগত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।


 

April 19, 2026

বাউল সাধক কানাই দাস বাউল আর নেই, সংগীতজগতে শোকের ছায়া

ভারতীয় বাউল সংগীতের অন্যতম সাধক-শিল্পী কানাই দাস বাউল আর নেই। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে পশ্চিমবঙ্গের তারাপীঠ-এ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন প্রখ্যাত চিত্রগ্রাহক ও নির্মাতা রঞ্জন পালিত। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এই বাউল সাধক। বিশেষ করে গত দুই মাস ধরে যক্ষ্মায় আক্রান্ত ছিলেন। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে ক্রনিক অ্যাজমা ও ডায়াবেটিসজনিত সমস্যাও ছিল তার।
কানাই দাস বাউল ছিলেন আধ্যাত্মিক সাধনা ও সংগীতের এক অনন্য প্রতীক। গ্রামবাংলার এক সাধারণ পরিবারে জন্ম নেওয়া এই শিল্পী ছোটবেলা থেকেই দৃষ্টিহীন ছিলেন। তবে শারীরিক সীমাবদ্ধতা কখনোই তাকে থামাতে পারেনি। বাহ্যিক দৃষ্টি না থাকলেও অন্তর্দৃষ্টিতে তিনি উপলব্ধি করেছিলেন জীবন, মানবতা ও আধ্যাত্মিকতার গভীর সত্য।
শৈশব থেকেই সংগীতের প্রতি গভীর অনুরাগ ছিল তার। পরবর্তীতে বাউল গুরুদের সংস্পর্শে এসে বেছে নেন সাধনার পথ। একতারা হাতে গ্রাম থেকে গ্রামে, মেলা ও আখড়ায় ঘুরে ঘুরে তিনি ছড়িয়ে দিয়েছেন মানবতার বার্তা। তার কণ্ঠে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে বহু গান, যেখানে উঠে এসেছে জীবনদর্শন, প্রেম ও আত্মিক উপলব্ধির কথা।
দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মঞ্চে বাউল গান পরিবেশন করে তিনি অর্জন করেন বিশেষ খ্যাতি। ২০১৯ সালে তিনি ‘সহজিয়া সম্মান’ লাভ করেন। প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ উইলিয়াম ডালরিম্পল তার আলোচিত বই Nine Lives-এ ‘দ্য সংস অব দ্য ব্লাইন্ড মিনস্ট্রেল’ শিরোনামে একটি অধ্যায় উৎসর্গ করেন এই শিল্পীকে।
কানাই দাস বাউলের কণ্ঠে যেমন ছিল গভীর বেদনা, তেমনি ছিল ভালোবাসা ও মানবতার আহ্বান। তিনি শুধু একজন শিল্পীই নন, ছিলেন একজন সাধক ও পথপ্রদর্শক। তার প্রয়াণে বাউল সংগীত ও সংস্কৃতির জগতে নেমে এসেছে গভীর শোক।
সংশ্লিষ্টদের মতে, তার মৃত্যু এক অপূরণীয় ক্ষতি। তবে তার গান, দর্শন ও সাধনার আলো প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বেঁচে থাকবে, অনুপ্রেরণা জোগাবে আগামীর শিল্পী ও শ্রোতাদের।

 

April 19, 2026

মিরসরাইয়ে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় পণ্ড গীতা পাঠ ও মহোৎসব, আহত বেশ কয়েকজন

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলা-এর ১ নম্বর করেরহাট ইউনিয়নের কয়লা গ্রামের গলাচিপা এলাকায় ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের আয়োজিত শ্রী শ্রী গীতা পাঠ ও মহোৎসব অনুষ্ঠান কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় পণ্ড হয়ে গেছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে এই ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খামারপাড়া এলাকায় আয়োজিত ধর্মীয় এ অনুষ্ঠানে দুপুর পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল। প্রায় ১২০০ মানুষের জন্য খাবারের আয়োজনও করা হয়েছিল। তবে বিকেলের দিকে একই সম্প্রদায়ের মধ্যটিলা এলাকার কয়েকজন কিশোর অনুষ্ঠানে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এ নিয়ে আয়োজকদের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়, যা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়।
পরিস্থিতি সামাল দিতে দুই পক্ষের সমাজপতিরা বিকেলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আশ্বাস দিলে ঘটনাটি সাময়িকভাবে থেমে যায়। কিন্তু পরে খামারপাড়া সমাজের সরদার সেকান্ত ত্রিপুরা ও তার সহযোগীরা মধ্যটিলা সমাজের সরদার নিকেন্দ্র ত্রিপুরার সঙ্গে কথা বলতে গেলে ফের সংঘর্ষ বাধে।
সংঘর্ষে খামারপাড়া এলাকার রুপ কুমার ত্রিপুরা (২৬), পঞ্চ কুমার ত্রিপুরা (৩২), রিফন ত্রিপুরা (২৫), সহেল ত্রিপুরা (২২), আলোমতি ত্রিপুরা (৩৫) এবং মধ্যটিলা এলাকার পুকতি ত্রিপুরা (৪৮)সহ বেশ কয়েকজন আহত হন।
খামারপাড়া সমাজের সরদার সেকান্ত ত্রিপুরা অভিযোগ করেন, মধ্যটিলা এলাকার কিছু কিশোর মদ্যপ অবস্থায় অনুষ্ঠানে এসে উশৃঙ্খল আচরণ করে এবং নারী অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে অসদাচরণের চেষ্টা করে। পরিস্থিতি শান্ত করতে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে, যারা বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত। তাদের ভয়ে অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পান না।
অন্যদিকে, মধ্যটিলা ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি বৈশ্য কুমার ত্রিপুরা বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক। অভিযুক্ত কিশোররা আগেও এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল বলে তিনি জানান। বিষয়টি প্রথমে সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হবে, প্রয়োজনে আইনের আশ্রয় নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানা-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক জানান, এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।

 

April 19, 2026

বাগেরহাটে ‘চন্দ্র মহল’ ইকো পার্কে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা

একসময় পারিবারিক বিনোদনের নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে পরিচিত চন্দ্র মহল ইকো পার্ক এখন যেন ভিন্ন এক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিনোদনের আড়ালে এখানে ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি নীরব কেন্দ্র, যা দিন দিন উদ্বেগজনক রূপ নিচ্ছে।

গোপন অনুসন্ধান ও সরেজমিন পরিদর্শনে জানা গেছে, পার্কটির ভেতরের কিছু নির্জন স্থান দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যকলাপের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দিনের বেলাতেও সন্দেহজনক চলাফেরা লক্ষ্য করা যায়, আর সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানিয়েছেন, বিষয়টি সবার জানা থাকলেও কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না। ফলে পরিবার নিয়ে পার্কে যাওয়া অনেকের কাছেই ঝুঁকিপূর্ণ মনে হচ্ছে।

স্থানীয় অভিভাবকদের মতে, এই পরিস্থিতি আশপাশের তরুণ সমাজ ও শিক্ষার্থীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তারা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এটি বড় ধরনের সামাজিক অবক্ষয়ে রূপ নিতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দা শেখ সুরাইয়া খাতুন বলেন, “এটা শুধু একটি পার্কের বিষয় নয়, এটি আমাদের সমাজের ভবিষ্যতের প্রশ্ন। এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।”

এদিকে পার্কে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরাও হতাশা প্রকাশ করেছেন। দর্শনার্থী মো. আকাশ জানান, পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। তার ভাষায়, “কিছু দৃশ্য এতটাই অস্বস্তিকর ছিল, যা প্রকাশ করাও কঠিন।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব বিষয়ে পার্ক কর্তৃপক্ষ অবগত থাকলেও এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। নিরাপত্তা ও নজরদারির ঘাটতিই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে বলে মনে করছেন তারা। এ বিষয়ে পার্কের ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজার বাচ্চু মাতুব্বর বলেন, তিনি নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি, নিয়মিত টহল এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তাদের মতে, বিনোদনের নামে যদি অনৈতিক কর্মকাণ্ড বিস্তার লাভ করে, তবে তা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থতা নয়—বরং পুরো সমাজের জন্য একটি অশনিসংকেত।

এ বিষয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানা-এর ওসি (তদন্ত) মো. শহিদুল বলেন, বিষয়টি তার জানা ছিল না, তবে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে অবগত হয়ে তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সব মিলিয়ে, ‘চন্দ্র মহল’ ইকো পার্ককে ঘিরে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন শুধু একটি এলাকার সমস্যা নয়, বরং বৃহত্তর সামাজিক বাস্তবতার এক উদ্বেগজনক প্রতিফলন হয়ে উঠছে।

April 19, 2026

একদিনে দেশে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ, শোকে ভেঙে পড়েছে পরিবারগুলো

স্বপ্ন ছিল পরিবারের মুখে হাসি ফোটানো, ভাগ্য বদলের আশায় পাড়ি জমিয়েছিলেন দূর প্রবাসে। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর বাস্তব হলো না। নিথর দেহে, কফিনবন্দী হয়ে ফিরে এলেন তারা। যে কাঁধে ভর করে দাঁড়িয়ে ছিল পরিবার, আজ সেই কাঁধই চিরতরে নিস্তব্ধ। একদিনে ৩৪ জন প্রবাসী বাংলাদেশির মরদেহ দেশে ফেরায় অসংখ্য পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কুয়েত এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে ৩০ জন প্রবাসীর মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের উপ-পরিচালক শরিফুল ইসলাম। একই দিনে পৃথক ফ্লাইটে আরও চারজন প্রবাসীর মরদেহ দেশে আনা হয়। এর মধ্যে মালয়েশিয়া থেকে দুইজন এবং লিবিয়া থেকে দুইজনের মরদেহ রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী মরদেহগুলো দেশে আনা সম্ভব হয়নি। কুয়েতগামী একাধিক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে এসব মরদেহ আটকে ছিল। পরবর্তীতে বিশেষ উদ্যোগে চার্টার্ড ফ্লাইটের মাধ্যমে সেগুলো দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।
এই ঘটনায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। কেউ হারিয়েছেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে, কেউ বা প্রিয় সন্তান কিংবা স্বামীকে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রিয়জনের মরদেহ ফিরে পেলেও তা কোনো সান্ত্বনা নয়—বরং শোকের গভীরতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের কর্মকর্তারা জানান, বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা ও মরদেহ দ্রুত দেশে ফেরানোর বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তারা।
সব মিলিয়ে, একদিনে এত সংখ্যক প্রবাসীর মরদেহ দেশে ফেরার ঘটনা শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়—এটি অসংখ্য পরিবারের ভেঙে যাওয়া স্বপ্ন, অপূর্ণ আশা আর গভীর বেদনার প্রতিচ্ছবি।

 

Saturday, April 18, 2026

April 18, 2026

পাবনায় দেব-দেবী নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ভিডিও: কলেজছাত্র আটক, এলাকায় ক্ষোভ

পাবনার চাটমোহর উপজেলায় হিন্দু ধর্মালম্বীদের দেব-দেবী নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে আওলাদ হোসেন (১৯) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) দিবাগত রাতে উপজেলার ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের কাটাখালি মধ্যপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক যুবক ওই এলাকার মোহর চাঁদের ছেলে এবং চাটমোহর সরকারি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
মামলা সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি শেষ হওয়া চড়ক পূজাকে কেন্দ্র করে আওলাদ একটি ভিডিও তৈরি করেন। এতে তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দেব-দেবী সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। গত বুধবার (১৬ এপ্রিল) ‘কেসিপি মিন্টু ব্লগস’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হলে তা দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের নজরে এলে তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পর শুক্রবার সমীর বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে চাটমোহর থানায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলার ভিত্তিতে পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে আওলাদ হোসেনকে আটক করে।
চাটমোহর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অশোক চক্রবর্তী বলেন, “এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। চাটমোহর সবসময়ই সম্প্রীতির এলাকা হিসেবে পরিচিত। এখানে ধর্ম নিয়ে এমন অপ্রীতিকর ঘটনা আগে ঘটেনি। আমরা আইনের মাধ্যমে দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ধর্ম অবমাননার অভিযোগে মামলা হয়েছে। আটক যুবককে গ্রেফতার দেখিয়ে শনিবার সকালে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের ঘটনা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছেন তারা।

 

April 18, 2026

শরীরের এই সংকেতগুলো অবহেলা করবেন না, হতে পারে ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ ⚠️

অনেক সময় একদম সুস্থ মনে হওয়া মানুষ হঠাৎ চিকিৎসকের কাছে গিয়ে জানতে পারেন, শরীরে বাসা বেঁধেছে গুরুতর কোনো রোগ—এমনকি ক্যানসারের মতো জটিল অসুখও। বিষয়টি ভয় ধরিয়ে দিলেও বাস্তবতা হলো, আমাদের শরীর আগে থেকেই নানা সংকেত দেয়। সমস্যা হচ্ছে, আমরা সেগুলো গুরুত্ব দিই না বা বুঝতে পারি না।
চিকিৎসকদের মতে, ক্যানসার অনেক ক্ষেত্রে হঠাৎ ধরা পড়লেও বেশিরভাগ সময় কিছু সতর্ক সংকেত আগেই দেখা যায়। এই লক্ষণগুলো শুরুতে সাধারণ মনে হলেও সময়মতো নজর দিলে বড় ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। তাই শরীরের যেকোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তনকে হালকাভাবে নেওয়া ঠিক নয়।

প্রথমেই আসে শ্বাসকষ্ট। স্বাভাবিক হাঁটা বা সিঁড়ি ভাঙার সময় যদি অস্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, সেটি শুধু দুর্বলতা নয়—গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। এটি কিছু ক্ষেত্রে ফুসফুসজনিত ক্যানসারের ইঙ্গিত হতে পারে।
রক্তক্ষরণও একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা। কাশি দিলে রক্ত বের হওয়া, পায়খানায় কালচে রক্ত, প্রস্রাবে রক্ত বা স্তনবৃন্ত থেকে অস্বাভাবিক নিঃসরণ—এসব লক্ষণ দেখা গেলে দেরি না করে পরীক্ষা করানো জরুরি। এগুলো সবসময় ক্যানসার নয়, তবে অবহেলা করার মতোও নয়।
শরীরের কোথাও হঠাৎ গাঁট বা ফোলা দেখা দিলে সেটিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। অনেক সময় এটি স্বাভাবিক কারণে হলেও, কখনো কখনো এটি টিউমার বা ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। তাই নতুন কোনো ফোলা বা গাঁট অনুভব করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
খাবার গিলতে সমস্যা হওয়া বা অল্প খেলেই পেট ভরে যাওয়ার অনুভূতিও সতর্ক সংকেত হতে পারে। গলায় কিছু আটকে থাকার মতো অনুভূতি বা বারবার এমন সমস্যা হলে বিষয়টি পরীক্ষা করানো দরকার।
এছাড়া শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে পরিবর্তন—যেমন হঠাৎ কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া, প্রস্রাব বা পায়খানায় অসুবিধা, কিংবা মনে হওয়া পেট পুরোপুরি পরিষ্কার হয়নি—এসব পরিবর্তনও উপেক্ষা করা ঠিক নয়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এসব লক্ষণ মানেই ক্যানসার নয়। কিন্তু এগুলো শরীরের সতর্কবার্তা। তাই নতুন কোনো উপসর্গ দেখা দিলে বা পুরোনো সমস্যা বাড়লে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
নিজের শরীরের প্রতি সচেতন থাকাই সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা। ছোট লক্ষণকে গুরুত্ব দিলে বড় বিপদ এড়ানো অনেকটাই সম্ভব। 💡


 

April 18, 2026

তীব্র গরমে স্বস্তি দেবে ডাবের পানি ও চিয়া সিড, ফিরবে শক্তি ও হাইড্রেশন

গরম পড়লেই শরীর থেকে অতিরিক্ত ঘাম ঝরে, ক্লান্তি আসে, মাথা হালকা লাগে। অনেকেই তখন শুধু পানি খেয়ে তৃষ্ণা মেটানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু শরীরের প্রয়োজন শুধু পানি নয়, সঙ্গে হারানো খনিজ উপাদানও। এই ঘাটতি পূরণে ডাবের পানি ও চিয়া সিড হতে পারে সহজ, প্রাকৃতিক সমাধান।
ডাবের পানি প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইটে সমৃদ্ধ। এতে পটাশিয়াম, সোডিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ থাকে, যা ঘামের সঙ্গে বেরিয়ে যাওয়া উপাদানগুলো পূরণ করতে সাহায্য করে। ফলে শরীর দ্রুত হাইড্রেটেড হয় এবং ক্লান্তি কমে। গরমে মাথা ঘোরা বা দুর্বলতা অনুভব করলে ডাবের পানি দ্রুত আরাম দিতে পারে।
অন্যদিকে, ছোট্ট চিয়া সিড পুষ্টিগুণে ভরপুর। পানিতে ভিজিয়ে খেলে এটি জেলের মতো হয়ে যায়, যা শরীরে পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে। এতে থাকা ফাইবার ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরকে দীর্ঘ সময় সতেজ রাখে এবং বারবার পিপাসা লাগার প্রবণতাও কমায়।
ডাবের পানি ও চিয়া সিড একসঙ্গে খেলে এর উপকারিতা আরও বেড়ে যায়। এক গ্লাস ডাবের পানিতে সামান্য ভেজানো চিয়া সিড মিশিয়ে পান করলে এটি প্রাকৃতিক হাইড্রেশন ড্রিংক হিসেবে কাজ করে। এতে শরীর যেমন ঠান্ডা থাকে, তেমনি পাওয়া যায় প্রয়োজনীয় শক্তিও।
তবে যাদের কিডনি সমস্যা বা বিশেষ কোনো শারীরিক জটিলতা রয়েছে, তাদের নিয়মিত বেশি পরিমাণে খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ অতিরিক্ত পটাশিয়াম সবার জন্য উপযোগী নাও হতে পারে।
সব মিলিয়ে, তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে কৃত্রিম পানীয়ের বদলে প্রাকৃতিক উপাদান বেছে নেওয়াই ভালো। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ডাবের পানি ও চিয়া সিড যুক্ত করলে শরীর থাকবে সতেজ ও সুরক্ষিত।


 

April 18, 2026

চট্টগ্রাম বন্দরে একসঙ্গে ৪ জাহাজে ১.৩৮ লাখ টন জ্বালানি, স্বস্তির আশা

চট্টগ্রাম বন্দরে একসঙ্গে চারটি জাহাজে করে প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল এসে পৌঁছেছে। এই বড় চালানে ডিজেল ও অকটেন—দুই ধরনের জ্বালানিই রয়েছে, যা চলমান জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে স্বস্তির বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানিয়েছে, চারটি জাহাজের মাধ্যমে মোট ১ লাখ ১০ হাজার ৬৫১ টন ডিজেল এবং ২৭ হাজার ৩৬৩ টন অকটেন আমদানি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘এমটি অকট্রি’ জাহাজ থেকে লাইটারিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। জাহাজটি শনিবার (১৮ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বন্দরের ডলফিন জেটিতে নোঙর করার কথা রয়েছে।
বিপিসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ১৭ এপ্রিল চারটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছেছে এবং চলতি সপ্তাহে আরও কয়েকটি জ্বালানির চালান আসার কথা রয়েছে। এতে করে আপাতত জ্বালানি তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্য জাহাজগুলোর মধ্যে পর্তুগালের পতাকাবাহী ‘এমটি কেপ বনি’ নিয়ে এসেছে ৩৩ হাজার ৩৯৮ টন ডিজেল। কেম্যান আইল্যান্ডের পতাকাবাহী ‘এমটি নেভি সিয়েলো’ এনেছে ২৭ হাজার ৩৬৩ টন অকটেন এবং চীনের পতাকাবাহী ‘এমটি লিয়ান সং হো’ বহন করে এনেছে ৪১ হাজার ৯০৭ টন ডিজেল। এই তিনটি জাহাজ বর্তমানে বন্দরের আলফা অ্যাংকরে অবস্থান করছে।
ভেসেল ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, ‘এমটি অকট্রি’ ও ‘এমটি কেপ বনি’ ১২ এপ্রিল, ‘এমটি নেভি সিয়েলো’ ১০ এপ্রিল মালয়েশিয়ার তানজুং পেলেপাস বন্দর থেকে এবং ‘এমটি লিয়ান সং হো’ ৮ এপ্রিল ভারতের শিখা বন্দর থেকে যাত্রা করে চট্টগ্রামে পৌঁছায়।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা এবং সরবরাহ চাপে থাকার সময় এমন বড় চালান আসায় দেশীয় বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে পরিবহন ও শিল্পখাতে জ্বালানির চাপ কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।


 

April 18, 2026

হবিগঞ্জে মন্দিরে ভাঙচুর, প্রতিমা ক্ষতিগ্রস্ত—ক্ষোভ ও উদ্বেগ স্থানীয়দের

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শাহপুর এলাকায় একটি মন্দিরে দুর্বৃত্তদের ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল গভীর রাতে সংঘটিত এ ঘটনায় মন্দিরে রাখা পূজিত প্রতিমাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো সকালে ভক্তরা মন্দিরে এসে দেখেন বারান্দায় রাখা কয়েকটি প্রতিমা ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। এমন দৃশ্য দেখে তারা হতবাক হয়ে পড়েন এবং সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি পুলিশ ও প্রশাসনকে জানান। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, দুর্বৃত্তরা চুরির উদ্দেশ্যে মন্দিরে ঢুকেছিল। তবে চুরি করতে ব্যর্থ হয়ে তারা ক্ষোভে বা পরিকল্পিতভাবে প্রতিমাগুলো ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং সেগুলো পরীক্ষা করা হচ্ছে।
মাধবপুর থানার ওসি জানিয়েছেন, “ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে। আশপাশের এলাকার তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় শাহপুর এলাকায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ধর্মীয় উপাসনালয়ে এমন হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য হুমকি। তারা দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দও একই দাবি জানিয়ে বলেন, মন্দির শুধু উপাসনার স্থান নয়, এটি তাদের বিশ্বাস ও অনুভূতির প্রতীক। সেখানে হামলার ঘটনা গভীরভাবে আঘাত দিয়েছে। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধে মন্দিরের নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝে মধ্যে উপাসনালয়ে হামলা বা ভাঙচুরের ঘটনা সামনে আসায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয়রা প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন।



 

"
"