কণ্ঠনীল

বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ


Breaking

Monday, April 6, 2026

April 06, 2026

বিজ্ঞান শিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মন্ডল আর নেই: এক সাহসী শিক্ষকের নিঃশব্দ প্রস্থান

মুন্সীগঞ্জের বিনোদপুর রাম কুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের আলোচিত বিজ্ঞান শিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মন্ডল আর আমাদের মাঝে নেই। তাঁর এই আকস্মিক প্রয়াণে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলে গভীর শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হচ্ছে এই নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষককে।
হৃদয় চন্দ্র মন্ডল মূলত আলোচনায় আসেন বিজ্ঞান পাঠদান করতে গিয়ে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এক দুঃখজনক ঘটনার শিকার হয়ে। একটি শ্রেণিকক্ষে বিজ্ঞান বিষয় ব্যাখ্যার সময় তাঁর বক্তব্যকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর শুরু হয় তীব্র প্রতিক্রিয়া, যার ফলে তাঁকে হেনস্তার শিকার হতে হয় এবং আইনগত জটিলতার মধ্যেও পড়তে হয়। সেই সময় দেশের শিক্ষাঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে বিষয়টি নিয়ে তীব্র আলোচনা ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
তবে এই কঠিন পরিস্থিতিতেও তিনি ছিলেন অবিচল ও মানবিক। তাঁর সেই বহুল আলোচিত বক্তব্য—
“আমি আবার ক্লাসে ফিরবো। আমরা যেহেতু শিক্ষক, ক্ষমাই আমাদের ধর্ম। শিক্ষার্থীরা যাই করুক আমাকে ওকে ক্ষমা করতে হবে, ভালোবাসতে হবে। এভাবেই এগিয়ে যেতে হবে”—
একজন প্রকৃত শিক্ষকের মানসিকতা ও দায়বদ্ধতার উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে।
সহকর্মীরা জানান, হৃদয় চন্দ্র মন্ডল ছিলেন অত্যন্ত শান্ত, জ্ঞানী ও দায়িত্বশীল একজন শিক্ষক। তিনি সবসময় শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক করে গড়ে তোলার চেষ্টা করতেন। তাঁর কাছে শিক্ষা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং ছিল যুক্তিবোধ, সহনশীলতা ও মানবিকতা গড়ে তোলার একটি মাধ্যম।
স্থানীয়দের মতে, তাঁর সঙ্গে যা ঘটেছিল তা শুধু একজন শিক্ষকের প্রতি অন্যায় নয়, বরং শিক্ষাব্যবস্থা ও মুক্ত চিন্তার ওপরও এক ধরনের আঘাত ছিল। অনেকেই মনে করেন, জীবদ্দশায় তিনি যথাযথ সম্মান ও নিরাপত্তা পাননি।
হৃদয় চন্দ্র মন্ডলের মৃত্যুতে তাঁর পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোক। এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
একজন শিক্ষক চলে গেলেন, কিন্তু রেখে গেলেন ক্ষমা, সহনশীলতা ও সত্যিকারের শিক্ষার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তাঁর মতো মানুষরা হয়তো নিঃশব্দে বিদায় নেন, কিন্তু তাঁদের আদর্শ দীর্ঘদিন বেঁচে থাকে সমাজের ভেতর।


 

April 06, 2026

কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

গত ২ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার দুপুর ৩ টায় ঢাকার ঐতিহাসিক ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের নতুন ভবনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাসুদেব ধর। সভায় বিভিন্ন জেলা ও মহানগর কমিটির ৮০ জনের বেশি প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন ও নিজেদের মূল্যবান পরামর্শ দেন।
সভায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ও মহানগরের একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়ার সঙ্গে দেখা করে তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান এবং নিজেদের আট দফা দাবি তাঁর সামনে তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী ধৈর্য সহকারে সব দাবি শোনেন এবং পর্যায়ক্রমে সব দাবি পূরণ করবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন। সভায় বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীও প্রতিনিধি দলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।  তারেক জিয়া বিগত প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুসের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, যে দুইবার এই ঢাকেশ্বরী মন্দিরে এসে তিনি যে কথা দিয়েছিলেন তা তিনি পূরণ করেননি।
এই সভায় উপস্থিত ছিলেন কাজল দেবনাথ, এ্যাড সুব্রত চৌধুরী, জয়ন্ত সেন দিপু, জে.এল ভৌমিক, সন্তোষ শর্মা, এড. তাপস কুমার পাল, চন্দ্রনাথ পোদ্দার, মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা প্রশান্ত কুমার কুন্ড প্রমুখ। সভায় দপ্তর সম্পাদক শচীন্দ্রনাথ বাড়ুই শোক প্রস্তাব পাঠ করেন। সভাটি সঞ্চালনা করেন এড. শ্যামল কুমার রায় ।


 

Sunday, April 5, 2026

April 05, 2026

দেশের অগ্রযাত্রায় ধর্মকে পুঁজি করে বিভাজন তৈরির কোনো সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল

দেশের অগ্রযাত্রায় ধর্মকে পুঁজি করে বিভাজন তৈরির কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশে কিছু রাজনৈতিক শক্তি ধর্মকে সামনে রেখে রাজনীতি করতে চায়। তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ধর্ম নিয়ে বিভাজন তৈরির কোনো সুযোগ নেই। রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর ভাটারায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব ‘ইস্টার সানডে’ উপলক্ষে আয়োজিত এক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমরা হাজার হাজার বছর ধরে ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের মধ্যে বসবাস করছি। ধর্মবিশ্বাস একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়, এটাকে আমরা রাষ্ট্রের মধ্যে নিয়ে আসতে চাই না। আমরা দেশকে একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। কিছু রাজনৈতিক দলের কঠোর সমালোচনা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘কিছু শক্তি আমাদের মাঝে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করে। এমনকি কোনো কোনো দল মহান মুক্তিযুদ্ধকেও অস্বীকার করতে চায়। আমাদের উচিত নিজেদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্য আরও বাড়ানো।’
দেশে চলমান জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট সংকটের মধ্যেও সরকার গুরুত্ব দিয়ে বাইরে থেকে জ্বালানি আমদানির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বারবার বলছেন পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মজুদ আছে। এরপরও দেখা যাচ্ছে কিছু মানুষ আতঙ্কিত হয়ে বাইক নিয়ে বারবার তেল নিচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি তারেক রহমানের নেতৃত্বে আপনাদের সহায়তায় সরকার গঠন করেছে, এজন্য আপনাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। সত্যকে সামনে রেখেই আমরা সামনে এগিয়ে যাব।



 

April 05, 2026

২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত অধিনায়ক লিটন

৯ ঘণ্টার বিসিবির বোর্ড সভা—পরিচালকের পদত্যাগ থেকে শুরু করে নানা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নড়বড়ে অবস্থায় থেকেও তিন সংস্করণের অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক, কোচ নিয়োগ, খেলোয়াড় ও সাংবাদিকদের জন্য এওয়ার্ড নাইটস থেকে শুরু করে আরও বেশকিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ড। একই সঙ্গে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে না পারার ব্যর্থতা নিয়েও আলাপ হয়েছে বোর্ড সভায়।
শনিবার দুপুর ১টা থেকে শুরু হওয়া বোর্ড সভায় অনেক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। প্রায় দেড় মাস পর হওয়া এই সভায় নারী বিপিএল থেকে শুরু করে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠার পথ খুঁজতেও আলোচনা করেছেন বোর্ড পরিচালকরা। বারবার পিছিয়ে এবার আগামী জুলাইয়ে নারীদের বিপিএল আয়োজন করার কথা বলছে বিসিবি। যদিও সেটা সম্ভব কি না, তা সময় বলে দেবে।
জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি সংস্করণের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন লিটন। তবে বিশ্বকাপেই খেলা হয়নি বাংলাদেশের। এবার ২০২৮ সালে অস্ট্রেলিয়ায় হতে যাওয়া বিশ্বকাপ পর্যন্ত লিটনের ওপরই আস্থা রাখার কথা বলছে বিসিবি। বোর্ড সভায় এমন সিদ্ধান্তই এসেছে। বিসিবির মিডিয়া কমিটির নতুন চেয়ারম্যান মোখছেদুল কামাল বাবু এসব তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম বোর্ড পরিচালনা পর্ষদের চতুর্থ সভা শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে অধিনায়ক এবং সহ-অধিনায়কদের মেয়াদ প্রায় শেষের পথে ছিল। তাই আমরা তাদের চুক্তি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা চাই মিরাজ ও লিটন দায়িত্বে থাকুক। তারা ভালো করছে এবং আমরা তাদের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি দিতে চাই।’
এদিকে, জাতীয় দলের স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে এক বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার মোহাম্মদ রফিককে। ফাহিম বলেন, ‘আমাদের জাতীয় দলের সঙ্গে অনেক পেস বোলিং কোচ যুক্ত আছেন। কিন্তু স্পিন কোচের সংখ্যা তুলনামূলক কম। তাই আমরা রফিককে দলে যুক্ত করতে চেয়েছি। আমরা মনে করি, এই পর্যায়ে কাজ করার জন্য সে প্রস্তুত।’ এ ছাড়া খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের জন্য পেনশন স্কিম চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। এ বিষয়ে কাজ করার জন্য একটি প্রাথমিক কমিটিও গঠন করা হবে।


 

Saturday, April 4, 2026

April 04, 2026

মন্দিরের জমিতে টিকিট কাউন্টার নির্মাণে বাধা, সম্পাদককে মারধর

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে মন্দিরের জমিতে জোরপূর্বক টিকিট কাউন্টার নির্মাণ করতে না দেওয়ায় সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিত দাসকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক যুবকের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার বলভদ্রপুর বাজার-নন্দী মার্কেটের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
টিকিট কাউন্টার স্থাপনকে কেন্দ্র করে বাধাল বাজার সংলগ্ন বলভদ্রপুর এলাকায় বিকেবিবি সার্বজনীন দুর্গামন্দির কমিটির সঙ্গে কয়েক দিন ধরে হামলাকারীদের বিরোধ চলছিল।
মন্দির কমিটির নেতারা জানান, বাগেরহাট-পিরোজপুর মহাসড়কের পাশে বাধাল বাজার সংলগ্ন এ মন্দিরের জমিতে স্থানীয় ফেরদাউস শিকদার দূরপাল্লার বাস ইমা পরিবহণের কাউন্টার স্থাপন করবে বলে মন্দির কমিটিকে জানান। মন্দির কমিটি বিষয়টিতে রাজি না হলে হুমকি-ধমকি দিতে শুরু করেন।
বুধবার কাউন্টারের ঘর তৈরির জন্য মন্দিরের সামনে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এনে মজুত করেন ফেরদাউস। বিষয়টির প্রতিবাদ করলে মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদককে গালিগালাজ করেন। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদকের ওপর হামলা হয়।
এ ঘটনার সঠিক বিচার দাবি করেছেন হামলার শিকার সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিদ দাস। তিনি বলেন, ফেরদাউস অন্যায়ভাবে মন্দিরের জমিতে বাস কাউন্টার করতে চেয়েছিল। সম্মতি না দেওয়ায় সে আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়। হুমকি-ধমকি দেয়। বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতে যাওয়ার সময় বলভদ্রপুর বাজার-নন্দী মার্কেটের সামনে ফেরদাউস ও সাগরসহ ৫-৬ জন আমার ওপর হামলা করে। আবারও আমাকে মারধরের হুমকি দিয়েছে। এই মুহূর্তে আমি জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় আছি।
এদিকে এ হামলার নিন্দা ও দোষীদের বিচার দাবি করে শুক্রবার সকালে মন্দির প্রাঙ্গণে জরুরি সভা ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন মন্দির কমিটি ও স্থানীয়রা।
সভায় মোরেলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল জব্বার মোল্লা, বনগ্রাম ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ডা. আব্দুল হাই, বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শামসুর রহমান বাধাল বাজার কমিটির সভাপতি মশিউর রহমান, মন্দির কমিটির সভাপতি বাবু উৎপাল কুমার দাস সহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
মোরেলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল জব্বার মোল্লা বলেন, ফেরদাউস আগে থেকেই একজন সন্ত্রাসী। জোরপূর্বক কাউন্টার নির্মাণে বাঁধা দেওয়ায় মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদকের ওপর হামলা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার নিন্দা জানাই। ফেলদাউসকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান বিএনপির এই নেতা।
বনগ্রাম ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ডা. আব্দুল হাই বলেন, মন্দিরের জমি ধর্মীয় সম্পত্তি এখানে জোরর্পূবক টিকিট কাউন্টার স্থাপনেরে চেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সঠিক তদন্তপূর্বক দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দরকার।
বাধাল বাজার কমিটির সভাপতি মশিউর রহমান বলেন, ফেরদাউস ও তার লোকজন মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদকের ওপর হামলা করেছে। এটা মন্দির কমিটির নেতাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। এর আগেও ফেরদাউস নামের এই ব্যক্তি এলাকার অনেকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। গভীর রাতে সঞ্জিদ দাসের বাড়িতে গিয়েও হুমকি দিয়েছে। আমরা বাজারের ব্যবসায়ীরা এ ঘটনার বিচার দাবি করছি।
মন্দির কমিটির সভাপতি উৎপল কুমার দাস বলেন, এ মন্দিরে বাধাল, বক্তারকাঠি, বলভদ্রপুর, বিষখালি, কাঠিপাড়া এই পাঁচটি গ্রামের মানুষ পূজা করেন; কিন্তু ফেরদাউস ও তার লোকজন যে ঘটনা ঘটিয়েছে, তাতে সবার মনে রক্তক্ষরণ হয়েছে। আমরা ফেরদাউস ও তার সঙ্গে যারা ছিল সবার বিচার চাই। সেই সঙ্গে যাতে কেউ কখনও মন্দিরের জমি দখল করতে না পারে সেজন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেরদাউস শিকদার বলেন, বাধাল বাজারের ব্যবসায়ী মনিরুল শিকদারের সমঝোতায় ওই জায়গাটি মাসে ৫শ টাকা চুক্তিতে ভাড়া নিয়েছিলাম; কিন্তু পরে মন্দিরের লোকজন আমাদের কাউন্টার করতে দিতে অস্বীকার করেন। মূলত মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত ঝামেলা রয়েছে। মন্দিরের জমি দখলসংক্রান্ত কোনো বিষয় নেই।
এদিকে খবর শুনে মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মো. মাহমুদুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, ভবনের পাশে টিকিট কাউন্টার নির্মাণের জন্য একটি পক্ষ চেষ্টা করেছে। তারাই মন্দিরের সাধারণ সম্পাদককে মারধর করেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


 

"
"