কণ্ঠনীল

বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ


Breaking

Tuesday, April 7, 2026

April 07, 2026

বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিলো ক্রীড়া পরিষদ, ৩ মাসের মধ্যে নির্বাচন

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) ক্রীড়া পরিচালক আমিনুল এহসান। এর আগে তিনি এনএসসির গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।
এদিকে, ১১ সদস্যের একটি এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রাখা হয়েছে তামিম ইকবাল–কে। এই কমিটি আগামী তিন মাস দায়িত্ব পালন করবে।
আমিনুল এহসান আরও জানান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)–এর বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার বিষয়টি ইতোমধ্যে International Cricket Council–কে ইমেইলের মাধ্যমে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি নতুন এডহক কমিটির তালিকাও পাঠানো হয়েছে।
তামিম ইকবাল ছাড়া এডহক কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— আতহার আলী খান, মিনহাজুল আবেদীন, রাশনা ইমাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু, তানজিল চৌধুরী, সালমান ইস্পাহানি, রফিকুল ইসলাম এবং ফাহিম সিনহা।
উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবরে বিসিবির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আমিনুল ইসলাম বুলবুল–এর নেতৃত্বে গঠিত পরিচালনা পর্ষদ মাত্র ছয় মাসের মাথায় বিলুপ্ত করা হলো। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই নানা অনিয়মের অভিযোগে এই বোর্ডটি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে। অনেক ক্লাব কাউন্সিলর নির্বাচন বয়কট করেন এবং প্রথম বিভাগ লিগেও অংশ নেয়নি ৮টি দল। একই কারণে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।
এছাড়া বিদ্রোহী কাউন্সিলরদের অভিযোগের ভিত্তিতে বিসিবির সর্বশেষ নির্বাচন নিয়ে তদন্ত করে এনএসসি। সেই তদন্তের ফলেই শেষ পর্যন্ত বোর্ডটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।
বুলবুলের নেতৃত্বাধীন কমিটি গঠনের পর থেকেই পদত্যাগের ধারা শুরু হয়। মোট ১০ জন পরিচালক পদত্যাগ করেন। এর মধ্যে সাম্প্রতিক বোর্ড সভার দিনই চারজন পদত্যাগ করেন। সভা শেষে ফাইয়াজুর রহমান পদত্যাগ করেন। পরে রাত ১০টার দিকে পদত্যাগ করেন শানিয়ান তানিম ও মেহরাব আলম চৌধুরি। গভীর রাতে পদত্যাগ করেন মঞ্জুর আলম। এর আগে পদত্যাগ করেন ইশতিয়াক সাদেক, ইয়াসিন ফয়সাল ও আমজাদ হোসেন।


 

April 07, 2026

সুন্দরবনে বাঘের চেয়েও বড় আতঙ্ক বনদস্যু

সুন্দরবনে চলতি মৌসুমে মধু আহরণ শুরু হলেও বনদস্যুদের ভয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন মৌয়ালরা। তাদের মতে, এখন বাঘের চেয়েও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বনদস্যু। পাস নিয়ে বনে প্রবেশ করলেও নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। অথচ জীবিকার প্রধান উৎস হওয়ায় বাধ্য হয়েই ঝুঁকি নিয়ে বনে যেতে হচ্ছে তাদের। 🌿
বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ১ এপ্রিল থেকে সুন্দরবন–এর বিভিন্ন পয়েন্টে মৌয়ালরা মধু সংগ্রহ শুরু করেছেন। প্রতি বছরের মতো এবারও শত শত মৌয়াল গভীর বনে প্রবেশ করছেন, তবে এবারের বড় উদ্বেগ বনদস্যুদের তৎপরতা।
মৌয়াল মতিউর রহমান বলেন, “বাঘ, সাপ, কুমির—সবকিছুর ভয় নিয়েই আমরা কাজ করি। কিন্তু সবচেয়ে বেশি ভয় মানুষকে, বনদস্যুকে। বাঘের হাতে পড়লে বাঁচার আশা থাকে, কিন্তু দস্যুরা ধরলে মারধর করে, মুক্তিপণ দাবি করে।”
আরেক মৌয়াল হাফিজুল ইসলাম জানান, আগে ২-১টি দস্যু বাহিনীকে টাকা দিলেই চলত, এখন ৪-৫টি বাহিনী টাকা দাবি করে। এতে অনেকেই বনে যেতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন, কারণ খরচ তুলতে না পারার আশঙ্কা রয়েছে।
নীলডুমুর এলাকার মৌয়াল শাহাবুদ্দিন গাইন বলেন, “মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে বনে যাই। কিন্তু মধু কম পেলে ঋণ শোধ করা যায় না, উল্টো নৌকাও হারাতে হয়। তার ওপর আবার দস্যুদের টাকা দিতে হয়।”
বন বিভাগ জানিয়েছে, এ বছর ১,১০০ কুইন্টাল মধু এবং ৬০০ কুইন্টাল মোম সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মধু আহরণ ধারাবাহিকভাবে কমছে।
২০২১ সালে ৪,৪৬৩ কুইন্টাল মধু সংগ্রহ হলেও ২০২২ সালে তা কমে ৩,০০৮ কুইন্টাল হয়। ২০২৩ সালে ২,৮২৫ কুইন্টাল, ২০২৪ সালে ৩,১৮৩ কুইন্টাল এবং ২০২৫ সালে তা নেমে আসে ২,০৭৬ কুইন্টালে—যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৩৫% কম। এই পতনের প্রভাব পড়েছে মৌয়ালদের সংখ্যাতেও। ২০২৪ সালে প্রায় ৮ হাজার মৌয়াল কাজ করলেও ২০২৫ সালে তা কমে প্রায় ৫ হাজারে দাঁড়ায়। সংশ্লিষ্টদের মতে, বনদস্যু সমস্যা সমাধান না হলে মৌয়ালদের অংশগ্রহণ আরও কমে যাবে, যা উপকূলীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এদিকে জানা গেছে, গত ছয় মাসে প্রায় শতাধিক জেলেকে অপহরণ করেছে বনদস্যুরা। অনেক ক্ষেত্রে মুক্তিপণ দিয়েই মুক্তি মিলছে, আবার কখনো দস্যুদের সঙ্গে সমঝোতা করেই বনে প্রবেশ করতে হচ্ছে। বন বিভাগের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা ফজলুল হক জানান, সুন্দরবনে নিরাপত্তা জোরদারে বনরক্ষী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথভাবে কাজ করছে। দস্যুদের তথ্য পেলেই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
মধু আহরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং অভিযান শুরু হয়েছে। কিছু দস্যু আস্তানাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, সরকার কখনো দস্যুদের পৃষ্ঠপোষকতা করবে না এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
 

Monday, April 6, 2026

April 06, 2026

বিজ্ঞান শিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মন্ডল আর নেই: এক সাহসী শিক্ষকের নিঃশব্দ প্রস্থান

মুন্সীগঞ্জের বিনোদপুর রাম কুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের আলোচিত বিজ্ঞান শিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মন্ডল আর আমাদের মাঝে নেই। তাঁর এই আকস্মিক প্রয়াণে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলে গভীর শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হচ্ছে এই নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষককে।
হৃদয় চন্দ্র মন্ডল মূলত আলোচনায় আসেন বিজ্ঞান পাঠদান করতে গিয়ে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এক দুঃখজনক ঘটনার শিকার হয়ে। একটি শ্রেণিকক্ষে বিজ্ঞান বিষয় ব্যাখ্যার সময় তাঁর বক্তব্যকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর শুরু হয় তীব্র প্রতিক্রিয়া, যার ফলে তাঁকে হেনস্তার শিকার হতে হয় এবং আইনগত জটিলতার মধ্যেও পড়তে হয়। সেই সময় দেশের শিক্ষাঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে বিষয়টি নিয়ে তীব্র আলোচনা ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
তবে এই কঠিন পরিস্থিতিতেও তিনি ছিলেন অবিচল ও মানবিক। তাঁর সেই বহুল আলোচিত বক্তব্য—
“আমি আবার ক্লাসে ফিরবো। আমরা যেহেতু শিক্ষক, ক্ষমাই আমাদের ধর্ম। শিক্ষার্থীরা যাই করুক আমাকে ওকে ক্ষমা করতে হবে, ভালোবাসতে হবে। এভাবেই এগিয়ে যেতে হবে”—
একজন প্রকৃত শিক্ষকের মানসিকতা ও দায়বদ্ধতার উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে।
সহকর্মীরা জানান, হৃদয় চন্দ্র মন্ডল ছিলেন অত্যন্ত শান্ত, জ্ঞানী ও দায়িত্বশীল একজন শিক্ষক। তিনি সবসময় শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক করে গড়ে তোলার চেষ্টা করতেন। তাঁর কাছে শিক্ষা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং ছিল যুক্তিবোধ, সহনশীলতা ও মানবিকতা গড়ে তোলার একটি মাধ্যম।
স্থানীয়দের মতে, তাঁর সঙ্গে যা ঘটেছিল তা শুধু একজন শিক্ষকের প্রতি অন্যায় নয়, বরং শিক্ষাব্যবস্থা ও মুক্ত চিন্তার ওপরও এক ধরনের আঘাত ছিল। অনেকেই মনে করেন, জীবদ্দশায় তিনি যথাযথ সম্মান ও নিরাপত্তা পাননি।
হৃদয় চন্দ্র মন্ডলের মৃত্যুতে তাঁর পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোক। এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
একজন শিক্ষক চলে গেলেন, কিন্তু রেখে গেলেন ক্ষমা, সহনশীলতা ও সত্যিকারের শিক্ষার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তাঁর মতো মানুষরা হয়তো নিঃশব্দে বিদায় নেন, কিন্তু তাঁদের আদর্শ দীর্ঘদিন বেঁচে থাকে সমাজের ভেতর।


 

April 06, 2026

কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

গত ২ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার দুপুর ৩ টায় ঢাকার ঐতিহাসিক ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের নতুন ভবনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাসুদেব ধর। সভায় বিভিন্ন জেলা ও মহানগর কমিটির ৮০ জনের বেশি প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন ও নিজেদের মূল্যবান পরামর্শ দেন।
সভায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ও মহানগরের একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়ার সঙ্গে দেখা করে তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান এবং নিজেদের আট দফা দাবি তাঁর সামনে তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী ধৈর্য সহকারে সব দাবি শোনেন এবং পর্যায়ক্রমে সব দাবি পূরণ করবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন। সভায় বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীও প্রতিনিধি দলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।  তারেক জিয়া বিগত প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুসের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, যে দুইবার এই ঢাকেশ্বরী মন্দিরে এসে তিনি যে কথা দিয়েছিলেন তা তিনি পূরণ করেননি।
এই সভায় উপস্থিত ছিলেন কাজল দেবনাথ, এ্যাড সুব্রত চৌধুরী, জয়ন্ত সেন দিপু, জে.এল ভৌমিক, সন্তোষ শর্মা, এড. তাপস কুমার পাল, চন্দ্রনাথ পোদ্দার, মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা প্রশান্ত কুমার কুন্ড প্রমুখ। সভায় দপ্তর সম্পাদক শচীন্দ্রনাথ বাড়ুই শোক প্রস্তাব পাঠ করেন। সভাটি সঞ্চালনা করেন এড. শ্যামল কুমার রায় ।


 

Sunday, April 5, 2026

April 05, 2026

দেশের অগ্রযাত্রায় ধর্মকে পুঁজি করে বিভাজন তৈরির কোনো সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল

দেশের অগ্রযাত্রায় ধর্মকে পুঁজি করে বিভাজন তৈরির কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশে কিছু রাজনৈতিক শক্তি ধর্মকে সামনে রেখে রাজনীতি করতে চায়। তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ধর্ম নিয়ে বিভাজন তৈরির কোনো সুযোগ নেই। রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর ভাটারায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব ‘ইস্টার সানডে’ উপলক্ষে আয়োজিত এক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমরা হাজার হাজার বছর ধরে ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের মধ্যে বসবাস করছি। ধর্মবিশ্বাস একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়, এটাকে আমরা রাষ্ট্রের মধ্যে নিয়ে আসতে চাই না। আমরা দেশকে একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। কিছু রাজনৈতিক দলের কঠোর সমালোচনা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘কিছু শক্তি আমাদের মাঝে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করে। এমনকি কোনো কোনো দল মহান মুক্তিযুদ্ধকেও অস্বীকার করতে চায়। আমাদের উচিত নিজেদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্য আরও বাড়ানো।’
দেশে চলমান জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট সংকটের মধ্যেও সরকার গুরুত্ব দিয়ে বাইরে থেকে জ্বালানি আমদানির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বারবার বলছেন পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মজুদ আছে। এরপরও দেখা যাচ্ছে কিছু মানুষ আতঙ্কিত হয়ে বাইক নিয়ে বারবার তেল নিচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি তারেক রহমানের নেতৃত্বে আপনাদের সহায়তায় সরকার গঠন করেছে, এজন্য আপনাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। সত্যকে সামনে রেখেই আমরা সামনে এগিয়ে যাব।



 

"
"