কণ্ঠনীল

বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ


Breaking

Monday, June 22, 2026

June 22, 2026

দেশে বাড়ছে খুন, মব সহিংসতা ও ধর্ষণ, জানুয়ারি-মে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক

দেশে গত কয়েক মাসে খুন, ধর্ষণ, মব সহিংসতা, গণপিটুনি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য বলছে, অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় জনমনে চরম নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
পুলিশ সদরদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত সারা দেশে খুনের ঘটনায় ১,৪৫২টি মামলা হয়েছে। একই সময়ে নারী ও শিশু নির্যাতনের ৭,৯১০টি, অপহরণের ৪৩৭টি এবং চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনায় মামলা হয়েছে ৪,৯১২টি। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় খুনের মামলা কিছুটা কমলেও নারী নির্যাতন, মব সহিংসতা ও গণপিটুনি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির হিসাবে, প্রথম পাঁচ মাসে ১৯৮টি মব সহিংসতা ও গণপিটুনির ঘটনায় ১০২ জন নিহত হয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলার অবনতি চরমে পৌঁছায়। বর্তমান সরকারের আমলে পরিস্থিতির আংশিক উন্নতি হলেও র‌্যাব ও পুলিশের ওপর হামলা, প্রকাশ্যে গুলি করে খুন এবং কিশোর গ্যাং সংস্কৃতির বিস্তার রোধ করা যাচ্ছে না। রাজধানীর মোহাম্মদপুর, নিউমার্কেটের মতো এলাকাগুলো প্রকাশ্য অপরাধের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিশ্লেষক ড. তৌহিদুল হকের মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থার ঘাটতি এবং দুর্বল তদন্ত ব্যবস্থা অপরাধীদের উৎসাহিত করছে। অনেক সময় পুলিশ সদস্যরা বাধার মুখে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়েই ফিরে আসছেন, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিশেষজ্ঞরা অবিলম্বে মব সংস্কৃতি রোধ, নারী ও শিশু নিরাপত্তা জোরদার এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিচ্ছেন।
June 22, 2026

AI যেভাবে বদলে যাচ্ছে চাকরির বাজার

সিউল থেকে: দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের একটি প্রযুক্তি গবেষণাগারে কর্মরত অবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) নীরব বিপ্লব খুব কাছ থেকে দেখছি। এখানে এআই এখন আর শুধু প্রযুক্তি নয়, এটি অর্থনীতি, শিক্ষা ও জনসেবার প্রধান চালিকাশক্তি। দৈনন্দিন জীবন থেকে শুরু করে অফিসের কাজ— সবখানেই এআই গতি ও উৎপাদনশীলতা বাড়ালেও প্রথাগত অনেক চাকরির জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। এই বাস্তবতায় টিকে থাকতে চাইলে ডিগ্রির পাশাপাশি এআইয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেকে দক্ষ করে তোলার বিকল্প নেই।
সিউলের রাস্তায় বের হলেই বোঝা যায় প্রযুক্তি কতটা জীবনে মিশে গেছে। ফোনে আগেভাগেই জানা যায় কোন বাস কত মিনিটে আসবে, কতটা ভিড় হবে, গন্তব্যে পৌঁছাতে সময় লাগবে কতটুকু। ট্রাফিক সিগন্যাল থেকে শুরু করে অনলাইন শপিং— সবখানেই এআই যেন গ্রাহকের মনের কথা পড়তে পারে। অফিসে এখন নীরবে ঢুকে পড়েছে এক নতুন সহকর্মী, যার কোনো বেতন-ভাতা নেই, ছুটিও লাগে না। তার নাম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আগে যে খসড়া, ই-মেইলের জবাব বা কোড তৈরি করতে তিনজনের এক বিকেল লাগত, এখন এআইয়ের সহায়তায় তা একাই গুছিয়ে নিচ্ছেন একজন কর্মী, সময় লাগছে মাত্র কয়েক ঘণ্টা।
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে চাকরির বাজারে ২২ শতাংশ বড় পরিবর্তন আসবে; প্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ চাকরি বিলুপ্ত বা রূপান্তরিত হতে পারে, তবে নতুন করে ১৭ কোটি কাজের ক্ষেত্র সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে প্রায় ৩৯ শতাংশ চাকরির দক্ষতা পুরোপুরি বদলে যাবে। আইএমএফ বলছে, বিশ্বের ৪০ শতাংশ চাকরিতে এআইয়ের প্রভাব পড়বে। লিঙ্কডইনের জরিপ বলছে, ৭৫ শতাংশ কর্মী ইতোমধ্যে কাজে জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করছেন, আর ৬৬ শতাংশ নিয়োগকর্তা এখন এআই দক্ষতাকে চাকরির পূর্বশর্ত হিসেবে দেখছেন।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই পরিবর্তন আরও বেশি সংবেদনশীল। বছরে প্রায় ২০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে ঢুকলেও বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রিধারীদের মধ্যে বেকারত্ব প্রায় ১৪ শতাংশ। বিশেষ করে ফ্রিল্যান্সিং ও আইটি খাতে টেমপ্লেট-নির্ভর সাধারণ কাজে মূল্য কমে যাবে, তবে বাংলা ভাষার লোকালাইজেশন, সাইবার নিরাপত্তা, ডেটা ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ক্লায়েন্ট সমস্যা বোঝার মতো কাজে নতুন দ্বার খুলবে। শিক্ষা ও প্রশাসনিক চাকরিতেও একই দ্বৈততা দেখা যাবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন সবচেয়ে জরুরি দক্ষতা কেবল এআই টুল চালানো নয়, বরং বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা, তথ্য যাচাই, যোগাযোগ, নৈতিক বোধ এবং নিজের কাজের গভীর জ্ঞান। মাইক্রোসফটের গবেষণাও বলছে, এআই-যুগে মান নিয়ন্ত্রণ, সমালোচনামূলক চিন্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের মতো মানবিক দক্ষতার গুরুত্ব আরও বাড়বে।
ইতোমধ্যে বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন উচ্চশিক্ষায় এআইয়ের নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকিং খাতে এআই ব্যবহার ও জালিয়াতি শনাক্তে কাজ করছে। তবে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ডিজিটাল অবকাঠামো, উচ্চগতির ইন্টারনেট ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার বৈষম্য দূর করা। জাতীয় বাংলা ভাষা মডেল গড়ার প্রস্তাব গুরুত্বপূর্ণ হলেও তার চেয়ে জরুরি শিক্ষক, ব্যাংকার, সাংবাদিক, প্রশাসনিক কর্মী ও তরুণ চাকরিপ্রার্থীদের জন্য দ্রুত পুনঃদক্ষতাকরণ।
সামনের দিনের প্রতিযোগিতা হবে মানুষ বনাম মেশিন নয়; এআই-সচেতন মানুষ বনাম এআই-অসচেতন মানুষের মধ্যে। ভয় নয়, প্রস্তুতিই হবে টিকে থাকার একমাত্র পথ। বাংলাদেশের সামনে এখন কাজ— দ্রুত দক্ষতা বৃদ্ধি, গবেষণা জোরদার করা, বাংলাভিত্তিক ডিজিটাল অবকাঠামো গড়া এবং কার্যকর নীতিমালা তৈরি। নইলে এআই আমাদের জন্য সুযোগের চেয়ে বৈষম্যের যন্ত্রই হয়ে উঠবে।
June 22, 2026

মৌলভীবাজারের ঐশী নন্দী জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতায় সেরা

মৌলভীবাজারের কৃতী শিক্ষার্থী ঐশী নন্দী জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। দেশের আট বিভাগের সেরা প্রতিযোগীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় সে বিষয়ভিত্তিক কুইজে (ইংরেজি) প্রথম স্থান এবং উপস্থিত বক্তৃতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে।
গত ১৬ জুন ঢাকার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
ঐশী নন্দী মৌলভীবাজার সদরের গির্জাপাড়া এলাকার রতন নন্দী ও সুচনা নন্দীর কন্যা এবং শিশু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। পৌরসভা, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে সেরা হওয়ার পর জাতীয় পর্যায়েও ইংরেজি কুইজে দেশসেরা হয়ে গৌরব অর্জন করেছে সে।
মা সুচনা নন্দী বলেন, "ঐশীর সাফল্যে আমরা গর্বিত। তার পরিশ্রম আর শিক্ষকদের সহযোগিতায় এই অর্জন সম্ভব হলো।" বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাশ্বতী দাস বলেন, "ঐশী আমাদের বিদ্যালয়ের গর্ব। তার একাগ্রতা ও মেধাই এই সাফল্যের মূল।" ক্ষুদে এই শিক্ষার্থীর এমন কৃতিত্বে পুরো জেলায় আনন্দের বন্যা বয়ে গেছে।

Sunday, June 21, 2026

June 21, 2026

শ্রীরামচন্দ্রের প্রতি অবমাননা ও গাইবান্ধাসহ সারা দেশে মন্দির গুড়িয়ে দেয়ার প্রতিবাদে খুলনা মহানগর পূজা পরিষদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের প্রতি অবমাননা ও গাইবান্ধা-পলাশবাড়ীসহ সারা দেশে মন্দির গুড়িয়ে
দেয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির
অংশ হিসেবে খুলনা মহানগরের উদ্যোগে ও ২১ জুন ’২৬ রবিবার সকাল ১১টায় নগরীর
পিকচার প্যালেস মোড়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এসময় খুলনা মহানগর
হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সহযোগিতা ও সংহতি প্রকাশ করে। মানববন্ধনে বক্তরা বলেন,
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেই ঘোষণা করে দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বলে কিছু নেই,
রাষ্ট্রে সবার সমান অধিকার। কিন্তু এক সম্প্রদায়ের অনুভূতিতে আঘাত লাগবে অন্যদের
থাকবে না এটা কেমন বিচার ? আমরা শান্তিপ্রিয়ভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্যে
সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করতে চাই। সম্প্রতি গাইবান্ধা-পলাশবাড়ীর ঘটনায় আমরা
দারুণভাবে উদ্বিঘœ। যারা সম্প্রীতি নষ্ট করার প্রচেষ্টা করছে তাদের অবিলম্বে আইনের
আওতায় এনে বিচার করার দাবী জানান।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুন্ডুর সভাপতিত্বে এবং কোষাধ্যক্ষ রতন কুমার
দেবনাথের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূজা পরিষদ
কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা ও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি
বিজয় কুমার ঘোষ। প্রধান বক্তা ছিলেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ খুলনা মহানগর
শাখার সভাপতি বীরেন্দ্র নাথ ঘোষ। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান
ঐক্য পরিষদের সহ-সভাপতি সমর কু-ু। বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন মহানগর পূজা পরিষদের
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ দে মিঠু, সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জ্বল ব্যানার্জী,
মহানগর হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সহ-সভাপতি সুখময় বিশ্বাস, যুগ্ম সম্পাদক
প্রশান্ত দাস, নিলয় মুখার্জী, মহানগর পূজা পরিষদের সম্পাদকম-লীর সদস্য মহাদেব সাহা,
বাবলু বিশ্বাস, অ্যাড. বীরেন্দ্র নাথ সাহা, অ্যাড. কমলেশ কুমার সানা, অ্যাড. উল্লাসকর
বৈরাগী, কাঞ্চন গোবিন্দ দাস ব্রহ্মচারী, শান্ত বৈকু- দাস, বৈষ্ণব বলরাম দাস, অভিজিৎ দাস লভি,
দীপক দত্ত, কণিকা সাহা, ভবেশ সাহা, সুজিত মজুমদার, দেবদাস ম-ল, সুশান্ত ব্যানার্জী,
শঙ্কর পোদ্দার, শক্তিপদ দাস শর্মা, রূপন দে, বাবু শীল, ডা. পরিতোষ রায়চৌধুরী, অলোক কুমার
কু-ু, কমলেশ সাহা, ভোলানাথ দত্ত, সুরেশ চক্রবর্ত্তী, অলোক কুমার দে, রাজকুমার হেলা, কুমার
লাল, সুশীল দাস, সজল দাস, সাংবাদিক প্রবীর বিশ্বাস, অশোক সেন, সুকুমার সাহা,
সত্যরঞ্জন পোদ্দার, অসিত চক্রবর্ত্তী, নীলকান্ত দত্ত, স্বপন চক্রবর্ত্তী, অশোক ঘোষ, দুলাল সরকার,
লিটন ম-ল, মহানগর হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সম্পাদকম-লীর সদস্য সিঁধু
চক্রবর্ত্তী, খোকন দাস, সাগর সাহা, তুষার সরকার, ডাঃ নিরঞ্জন অধিকারী, উত্তম গুপ্তা, তুলষি
রঞ্জন সাহা, গোপাল ঘোষ, মুক্তিরানী রায়, মিণ্টু পাল, প্রভাস বণিক, অ্যাড. প্রহলাদ ঘোষ,
গোপাল চন্দ্র বণিক, মৃণাল কান্তি বিশ্বাস, সুশান্ত বাগচি, সাংবাদিক সুনীল দাস, লক্ষণ
বিশ্বাস, সদর থানা পূজা পরিষদের সভাপতি বিকাশ সাহা মদন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক
পাপ্পু সরকার, সোনাডাঙ্গা থানা সভাপতি বিপ্লব মিত্র, সাধারণ সম্পাদক রামচন্দ্র পোদ্দার,
দৌলতপুর থানা সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ অধিকারী, খালিশপুর থানা সভাপতি রজত কান্তি
দাস, সাধারণ সম্পাদক দীপক দত্ত, খানজাহান আলী থানা সাধারণ সম্পাদক সুভাষ দত্ত, লবণচরা
থানা সভাপতি ডাঃ শেখর পাল, হরিণটানা থানা সাধারণ সম্পাদক রঞ্জন রায়, আড়ংঘাটা থানা
আহ্বায়ক আশিষ কবিরাজ, ধর্মীয় সংগঠন ও মন্দির কমিটির উজ্জ্বল রায়, মিলন সাহা, বিপ্লব
ভৌমিক অমর সাহা, অজয় কুমার দে, নূপুর দাস, মুক্তি দাস, পরিমল দাস, রবিন সরকার, অমিত
সাহানি, সত্যজিৎ রায়, দিব্য সাহা, মিমু দাস, সন্তু দে, চয়ন রায়, বিশাল দাস, উজ্জ্বল সরকার,
পিয়াস কর্মকার, দেবব্রত, কাজল, সঞ্জয়, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সদর থানা শাখার

অভিমুূন্য জয়, অর্জুন ধর, সুভাষ রায়, অশোক শীল, নীলকান্ত ঘোষ, শঙ্কর সাহা, বরুণ দত্ত,
মানস রায়, নৃপেন্দ্র ভদ্র, রঞ্জন সাহা, রামকৃষ্ণ মহন্ত, প্রভাত মজুমদার লিপু, উজ্জ্বল সাহা,
প্রশান্ত দত্ত, সৈকত বর্মণ, তাপস দে, জয় সরকার,প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে এক বিক্ষোভ মিছিল
নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে এসে সমাপ্ত হয়।
June 21, 2026

সিরাজগঞ্জে হিন্দু পরিবারের বসতবাড়ি দখলের অভিযোগ, হামলায় আহত একাধিক

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার ঘোষপাড়া এলাকায় একটি হিন্দু পরিবারের বসতবাড়ি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নারীসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, শনিবার (২০ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলার পেছনে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তির নেতৃত্ব ছিল বলে তারা দাবি করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলাকারীরা বসতবাড়ি দখলের উদ্দেশ্যে পরিবারের সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয় এবং পরিবারের নারী সদস্যদের সঙ্গে অসদাচরণের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

হামলায় রনজিত ঘোষ, মিঠুন ঘোষ, রিনা ঘোষ, রত্না ঘোষ, সুচিত্রা ঘোষ ও সন্দীপ ঘোষ আহত হয়েছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে, দীর্ঘদিন ধরে তাদের বসতভিটা দখলের চেষ্টা চলছিল এবং সর্বশেষ এ হামলার মাধ্যমে তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে।

ঘটনার পর পরিবারটি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং তাদের জানমাল ও বসতভিটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার ফলাফলের অপেক্ষা রয়েছে।

 

June 21, 2026

রাজশাহীতে জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি, ২০০ ভরি স্বর্ণ লুটের দাবি

রাজশাহী মহানগরীর একটি স্বর্ণের দোকানে সংঘটিত বড় ধরনের চুরির ঘটনায় ব্যবসায়ী মহলে উদ্বেগ ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। কারুশ্রী জুয়েলার্সের মালিকের দাবি, সংঘবদ্ধ চোরচক্র তার দোকান থেকে প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে গেছে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী তুর্য সরকার জানান, বৃহস্পতিবার রাতে দোকান বন্ধ করে তিনি বাসায় যান। পরদিন সাপ্তাহিক ছুটির কারণে দোকান বন্ধ ছিল। এই সুযোগে চোরেরা পাশের একটি জুয়েলারি দোকানের দেয়াল কেটে কারুশ্রী জুয়েলার্সে প্রবেশ করে।

তার অভিযোগ, চোরেরা দোকানের প্রায় সব স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে গেলেও যেই দোকানের দেয়াল কেটে ভেতরে প্রবেশ করেছে, সেখান থেকে কোনো মালামাল নেয়নি। এছাড়া বের হওয়ার সময় পাশের দোকানের শাটার ও তালা আগের মতো লাগিয়ে রেখে যায়, ফলে ঘটনাটি কিছু সময়ের জন্য ধরা পড়েনি।

ঘটনার পর বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) রাজশাহী জেলা শাখার আহ্বানে মহানগর ও জেলার অধিকাংশ স্বর্ণের দোকান বন্ধ রেখে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছেন ব্যবসায়ীরা।

বাজুসের নেতারা দাবি করেছেন, এটি সাধারণ চুরির ঘটনা নয়; বরং পরিকল্পিত ও সংঘবদ্ধ অপরাধের অংশ। তাদের অভিযোগ, চোরেরা সিসিটিভি ব্যবস্থাও অকার্যকর করে দেয়, যাতে কোনো তথ্যপ্রমাণ না থাকে।

ব্যবসায়ীরা দ্রুত তদন্ত, জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং লুট হওয়া স্বর্ণ উদ্ধার করার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় তারা আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

এদিকে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। কারা এই চুরির সঙ্গে জড়িত, কীভাবে স্বর্ণ লুট করা হয়েছে এবং কোনো সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঘটনাটি রাজশাহীর স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

 

Saturday, June 20, 2026

June 20, 2026

রাঙামাটিতে জাম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষিকার মৃত্যু

রাঙামাটির নানিয়াচর উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শতাব্দী চাকমা (৫০) নামে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের সমাজকল্যাণ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শতাব্দী চাকমা নানিয়াচর উপজেলার রামহরি পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন এবং রাঙামাটির সখীনীলগঞ্জ এলাকায় বসবাস করতেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে বাসা থেকে স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়ে তিনি সিএনজি অটোরিকশার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় রাস্তার পাশের একটি জাম গাছ থেকে কাঁচা বাঁশ দিয়ে জাম পাড়তে গিয়ে অসাবধানতাবশত বাঁশটি বিদ্যুতের তারে লেগে যায় এবং তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক মো. শওকত আকবর খান জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। রাঙামাটি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কফিল উদ্দিন জানান, ঘটনাটি শুনেছেন এবং এ বিষয়ে আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। শিক্ষিকার এমন আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
June 20, 2026

ফেনীতে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার, এলাকায় উত্তেজনা

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলাম ধর্ম ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে সৃজন দাশ প্রান্ত (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ‘SRIJON DAS’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন মন্তব্য প্রকাশের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার আশঙ্কায় পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। পরে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় ছাগলনাইয়ার পশ্চিম ছাগলনাইয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে সৃজন দাশ প্রান্তকে আটক করা হয়। তিনি প্রীতি লাল দাশের ছেলে।

ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন মিয়া জানান, অভিযোগের কারণে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়।

পুলিশ আরও জানায়, শুক্রবার (১৯ জুন) অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রম ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত যাচাই করা হচ্ছে।

এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

 

Friday, June 19, 2026

June 19, 2026

টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে ঐতিহাসিক রাকূটের তীর্থধাম সংস্কার কাজে অর্থ দান করেছে ৭ বছরের শিশু ফাল্গুনী

কক্সবাজারের রামুতে খেলনা বা চকলেটের বায়না না ধরে স্কুল টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে ঐতিহাসিক রামকূট তীর্থধামের সংস্কার কাজে অর্থ দান করেছে ৭ বছরের শিশু ফাল্গুনী পাল। তার এই নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভক্তি আজ সমাজকে ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষা ও ত্যাগের এক অনন্য শিক্ষা দেয়।

কক্সবাজারের ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী তীর্থভূমি শ্রীশ্রী রামকূট তীর্থধামের সন্ন্যাসী পুকুরে ঘাট ও সিঁড়ি নির্মাণের মহৎ উদ্দেশ্যে নিজের স্কুল টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে অনুদান দিয়ে এক অনন্য ও মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে মাত্র সাত বছর বয়সী শিশু ফাল্গুনী পাল। কক্সবাজার জেলার রামু রাজারকুলের দেয়াং পাড়ার বাসিন্দা শ্রী বিকাশ পালের অবুঝ কন্যা ফাল্গুনীর এই দান আমাদের সনাতনী সমাজের ঘুমন্ত বিবেককে একবিংশ শতাব্দীতে এসে নতুন করে জাগ্রত করেছে। বড় মনের মানুষ গড়তে হলে যে ছোটবেলা থেকেই সন্তানকে ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে হয়, ছোট্ট ফাল্গুনী আজ তারই এক উজ্জ্বল প্রমাণ।

যে বয়সে সাধারণ শিশুরা খেলনা, চকলেট কিংবা আইসক্রিম কেনার জন্য বাবা-মায়ের কাছে বায়না ধরে, সেই বয়সে ছোট্ট ফাল্গুনীর কচি মনে ঈশ্বরের তীর্থভূমি সংস্কারের এই ব্যাকুল চিন্তা আজ সমাজকে এক বড় বার্তা দেয়। সনাতনী সংস্কৃতির প্রতি গভীর টান আর ভক্তি থেকেই সে তার জমানো ৫০০ টাকা তীর্থধামের উন্নয়ন ফান্ডে পাঠিয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে টাকার অংকটি ছোট মনে হলেও, ফাল্গুনীর এই পবিত্র ও নিঃস্বার্থ ত্যাগ আজ অনেক বড় বড় সামর্থ্যবান মানুষের লক্ষ টাকার দানকেও এক অনন্য উচ্চতায় হার মানিয়েছে। সমাজে যেখানে বিত্তবানদের মধ্যেও ত্যাগের মানসিকতার অভাব দেখা যায়, সেখানে এই ছোট্ট শিশুর অন্তরের বিশালতা আমাদের চোখে জল এনে দেয়।

ফাল্গুনী পালের এই মহৎ উদ্যোগ আজ সমগ্র সনাতনী সমাজ তথা মানবাধিকার রক্ষায় বিশ্বাসী প্রতিটি বিবেকবান মানুষকে নিজের আত্মার কাছে প্রশ্ন করার এক সুযোগ করে দিয়েছে। মাত্র সাত বছরের একটি শিশু যদি তার প্রতিদিনের টিফিনের ৫-১০ টাকা জমিয়ে ঐতিহাসিক সনাতনী ঐতিহ্য ও তীর্থভূমির উন্নয়নে এভাবে এগিয়ে আসতে পারে, তবে সামর্থ্যবান হয়েও কেন আমরা আমাদের ঐতিহ্যবাহী উপাসনালয়গুলোর সুরক্ষায় উদাসীন থাকব? এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষা এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা কোনো বয়সের ফ্রেমে বাঁধা থাকে না। সমাজের প্রতিটি স্তরে মানবিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিতে ফাল্গুনীর এই ত্যাগ এক বিরাট শিক্ষা। এই অনন্য সাধারণ কাজের জন্য ফাল্গুনী পালের প্রতি রইল অফুরন্ত শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও আর্শীবাদ। 

June 19, 2026

পটিয়ায় গভীর রাতে হিন্দু যুবককে কুপিয়ে ক্যামেরা ও মোটরসাইকেল ছিনতাই

চট্টগ্রাম শহর থেকে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে ছিনতাইকারীদের হামলার শিকার হয়েছেন রনি দাশ (২৯) নামে এক হিন্দু যুবক ও পেশাদার ফটোগ্রাফার। হামলাকারীরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার পাশাপাশি তার মোটরসাইকেল, ক্যামেরা এবং অন্যান্য মূল্যবান ফটোগ্রাফি সরঞ্জাম ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

বুধবার (১৭ জুন) গভীর রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া উপজেলার নিমতল দরগাহ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত রনি দাশ চন্দনাইশ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কিরন ড্রাইভারের বাড়ির বাসিন্দা এবং বিজন দাশের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পেশাদার ফটোগ্রাফি কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম শহরে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান কভার করার পর মোটরসাইকেলে করে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন রনি। পথিমধ্যে পটিয়ার নিমতল দরগাহ এলাকায় পৌঁছালে একদল দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে। এরপর তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে তার কাছে থাকা মোটরসাইকেল, পেশাদার ক্যামেরা, লেন্সসহ অন্যান্য মূল্যবান সরঞ্জাম ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

রনির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা মহাসড়কে রাতের নিরাপত্তা জোরদার এবং দ্রুত ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

ঘটনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, সিসিটিভি ফুটেজ

ও অন্যান্য তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে। রনি দাশের পরিবার এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ছিনিয়ে নেওয়া মালামাল উদ্ধারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। 

"
"