কণ্ঠনীল

বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ


Breaking

Friday, September 18, 2026

September 18, 2026

আজ প্রথম প্রেম দিবস: হৃদয়ের গভীরে রয়ে যাওয়া এক অনুভূতির নাম

বুকের ভেতর চাপা এক সুখের ব্যথা, সেই ব্যথা কি এখনো হয়ে ওঠে চাপা কান্না আর একরাশ দীর্ঘশ্বাস? প্রথম প্রেম—যা কখনো ভোলা যায় না। হৃদয়ের গভীরে উঁকি দেয় থেকে থেকে। কখনো হয়তো বিরতি দিয়ে, কখনো বা ঘন ঘন। তবে প্রথম প্রেমের সেই আবেশ ছড়িয়ে থাকে জীবনজুড়ে। আজ সেই দিন—প্রথম প্রেম মনে করার দিন।

আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ‘প্রথম প্রেম দিবস’। ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রা শুরু করা এই দিবস এখন প্রেমিক-প্রেমিকার বাইরে গিয়েও হয়ে উঠছে আত্মজ উপলব্ধির এক দিন—ভালোবাসা শুধু প্রাপ্তির নয়, অনুভবেরও।

হুমায়ূন আজাদ বলেছিলেন, ‘দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম প্রেম বলে কিছু নেই। মানুষ যখন প্রেমে পড়ে তখন প্রতিটি প্রেমই প্রথম প্রেম।’ প্রেম মানেই তো বারবার নিজেকে উজাড় করে দেওয়া, প্রতিবারই নতুনভাবে জেগে ওঠা।

প্রথম প্রেম মানেই এক অন্যরকম অনুভূতি, যা কখনোই কাউকে বলে বোঝানো যায় না। প্রথম প্রেমে থাকে না কোনো অপরাধবোধ, থাকে শুধু নির্মল ঢেউ। প্রথম স্পর্শ, প্রথম পাশাপাশি হাঁটা, প্রথম একে অন্যের সঙ্গে ভালো-মন্দ শেয়ার করার অনুভূতিই আলাদা।

লতা মুঙ্গেশকরের ‘প্রেম একবারই এসেছিল নীরবে…’ লাইনটি মনে করিয়ে দেয়—প্রথম প্রেমে কোনো জোর থাকে না, থাকে না শর্ত; থাকে শুধু হৃদয়ের এক নির্মল ঢেউ। আহসান হাবিব কবিতায় লিখেছেন—‘তুমি ভালো না বাসলেই বুঝতে পারি ভালোবাসা আছে…’

আজকের এই দিনে কেউ কেউ স্মৃতির পাতায় ফিরে যান, আবার কেউ বুকে জমে থাকা না-বলা কথা নিয়ে খানিকটা কষ্ট পান। তবু প্রথম প্রেম তো শুধুই একজন মানুষ নয়; বরং এক অনুভব, এক সময়, এক নিজেকে খুঁজে পাওয়ার গল্প।

আজ নিজেকে একটু সময় দিন। ফিরে যান সেই প্রথম ভালোবাসার দিনে—হয়তো সে আপনাকে আবারও নতুন করে ভালোবাসতে শিখিয়ে দেবে। আর প্রথম ভালো লাগার মানুষটি যদি হয় আপনার সঙ্গী, তবে তাকে নিয়েই ভালোবাসার পুরোনো উপাখ্যানে ফিরে যেতে পারেন।


 

September 18, 2026

বান্ডেল হরিজন কলোনিতে চার এতিম শিশুর অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ, সহায়তার আকুল আবেদন

চট্টগ্রাম সদরের বান্ডেল হরিজন কলোনিতে এক হতদরিদ্র পরিবারের মা ছবি রানী দাশের মৃত্যুতে চার এতিম শিশুর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মাথার ওপর থেকে মায়ের ছায়া মুছে গেছে, আর বাবা বন্দি আছেন কারাগারে। চরম অর্থসংকট ও অনাহার-অর্ধাহারের মানসিক আঘাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৮টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

জানা যায়, আলোচিত চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী প্রভুর ইস্যুকে কেন্দ্র করে দায়ের করা একটি মামলায় প্রায় পাঁচ মাস আগে হরিজন সম্প্রদায়ের লালা দাশকে গ্রেপ্তার করে প্রশাসন। লালা দাশই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তিনি কারাগারে বন্দি হওয়ার পর পরিবারে নেমে আসে চরম দুর্দিন।

পরিবারে কোনো উপার্জনক্ষম ব্যক্তি না থাকায় ছবি রানী দাশ আর্থিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েন। স্বামীর মুক্তির আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরতে ঘুরতে এবং অনাহার-অর্ধাহারে দিন কাটাতে কাটাতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি।

মৃত ছবি রানী দাশ ও কারাবন্দি লালা দাশ দম্পতির চার সন্তান রয়েছে। এর মধ্যে দুই মেয়ের বয়স যথাক্রমে ৫ ও ৭ বছর এবং দুই ছেলের বয়স ১৫ ও ১৮ বছর। বাবা কারাগারে এবং মা মৃত্যুবরণ করায় এই চার সন্তানের ভবিষ্যৎ এখন সম্পূর্ণ অনিশ্চিত অন্ধকারে নিমজ্জিত।

সহযোগিতার আকুল আবেদন

অসহায় এই পরিবারের চার সন্তানের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা এবং তাদের মায়ের শ্রাদ্ধের খরচ মেটানোর জন্য ‘হরিজন সারাক্ষণ’ একটি জরুরি ফান্ড গঠন করেছে। পরিবারের সদস্যরা বয়সে অল্প হওয়ায় এবং তাদের নিজস্ব কোনো বিকাশ বা নগদ অ্যাকাউন্ট না থাকায় ‘হরিজন সারাক্ষণ’ সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে এই তহবিল সংগ্রহ করছে।

সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তি ও দেশ-বিদেশের বিত্তবান মানুষদের এই বিপন্ন পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হচ্ছে। সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রেখে সংগৃহীত প্রতিটি অনুদান সরাসরি এই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের নিকট পৌঁছে দেওয়া হবে।

সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম: (হরিজন সারাক্ষণ)
বিকাশ: ০১৭৪৪৪০৬৭৩৮
নগদ: ০১৩৪১৮৩৩৯৪৪

‘হরিজন সারাক্ষণ’-এর প্রতি আস্থা রেখেই কেবল সহযোগিতা করার জন্য বিনীত অনুরোধ করা হচ্ছে। সহযোগিতা পাঠানোর পর ‘হরিজন সারাক্ষণ’-এর নিউজ পেজের কমেন্ট বক্সে আপনার লেনদেনের তথ্যটি জানানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে। আসুন, এই অসহায় শিশুগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার হাত বাড়িয়ে দিই।


 

Thursday, September 17, 2026

September 17, 2026

পূজার আগেই দর্শনার্থীদের ভিড়/ খুলনার এক মন্দিরেই ১৫২ প্রতিমা, দুর্গোৎসব ঘিরে ব্যতিক্রমী আয়োজন

বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় আচারের মধ্য দিয়ে সারা দেশের ন্যায় খুলনায়ও শুরু হয়েছে শারদীয় দুর্গাপূজা। খুলনা শাহপুর বাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে খরসংগ কালার বটতলা সর্বজনীন পূজা মন্দিরে ১৫২ বছর পূর্তিতে ১৫২টি প্রতিমা দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা।

খরসংগ কালার বটতলা সর্বজনীন পূজা মন্দিরের সহসভাপতি নাথুরাম সাহা স্মরণে ১৮৭৭ সালে স্থাপিত এই ১৪৭ বছরের পুরোনো ঐতিহ্য উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন শুরু হয়েছে। এবার পাঁচ দিনব্যাপী দোলায় আগমন ও ঘোড়ায় গমনের মধ্য দিয়ে বিজয়া দশমীর মাধ্যমে সমাপ্ত হবে।

প্রতিমা শিল্পীরা রংতুলির আঁচড়ে দেবী দুর্গা প্রতিমাকে আকর্ষণীয় করেছেন। তিন মাসে চারজন ভাস্কর অক্লান্ত পরিশ্রমে দেবদেবীর ১৫২টি প্রতিমা তৈরি করেছেন। মন্দিরের ভেতরে-বাইরে গেট, প্যান্ডেল ও আলোকসজ্জা করা হয়েছে।

পূজা দেখতে আসা দর্শনার্থী অধ্যাপক গোপালচন্দ্র সরকার বলেন, বিশেষ করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রামায়ণের কিছু বিশেষ চিত্র তুলে ধরে ১৫২টি প্রতিমা তৈরি করা হয়েছে। এগুলো দেখতে অনেকেই ছুটে আসছেন। অন্যদিকে দর্শনার্থী রিতা রানী দে বলেন, ‘এত প্রতিমা অন্য মণ্ডপে দেখিনি। এখানে এসে এত প্রতিভা দেখে আমরা খুব খুশি।’

খরসংগ কালার বটতলা সর্বজনীন পূজা মন্দিরের পুরোহিত তপন ভট্টাচার্য বলেন, ‘প্রতিবারের তুলনায় এবার দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা এই মণ্ডপে ভিড় জমাচ্ছেন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে এখানে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাই আনন্দে প্রতিমা দেখতে আসছেন।’

মন্দির কমিটির কোষাধ্যক্ষ সুব্রত সরকার বলেন, ‘গত তিন বছরে খুলনার কোনো মন্দিরে এত প্রতিমা তৈরি হয়নি, যা আমরা করেছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সবার সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণভাবেই পূজা উদযাপন করছি। এখানে কোনো বিশৃঙ্খলা নেই।’


 

September 17, 2026

‘ছেলে হিন্দু’–বাবার দাবি, তাও সৎকার হলো ইসলামি রীতিতে

নারায়ণগঞ্জের মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে পুলিশি নিরাপত্তায় জানাজা শেষে ইসলামী রীতি অনুযায়ী দাফন করা হয়েছে শুভ চন্দ্র দাস ওরফে মো. বিল্লালকে। ধর্মীয় পরিচয় ও শেষকৃত্য নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার অবসান ঘটে হাইকোর্টের নির্দেশনার পর।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে বিল্লালের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে ইসলামী রীতি অনুসরণ করে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ শহরে মাদকসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন বিল্লাল। তাঁর মৃত্যুর পর মরদেহের শেষকৃত্য নিয়ে পরিবারের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। বিল্লালের সনাতন ধর্মাবলম্বী বাবা দাবি করেন, তাঁর ছেলের সৎকার হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সম্পন্ন করা উচিত। অন্যদিকে বিল্লালের স্ত্রী, মা, ভাই ও বোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং বিল্লালের দাফন ইসলামী রীতিতেই হওয়া উচিত।

বিষয়টি পরবর্তীতে আদালতে গড়ায়। বিল্লালের স্ত্রী জ্যোতি হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মুহাম্মদ ইকবাল কবির ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে মরদেহ জ্যোতির কাছে হস্তান্তর এবং শরিয়াহ অনুযায়ী দাফনের নির্দেশ দেন।

আদালতে উপস্থাপিত নথি অনুযায়ী, ২০০৩ সালের ২৬ জুন নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে করা একটি এফিডেভিটে শুভ চন্দ্র দাস, তাঁর মা পার্বতী রাণী দাস এবং ভাই সজীব চন্দ্র দাস ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে শুভ চন্দ্র দাসের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় মো. বিল্লাল। তিনি মাদ্রাসায়ও পড়াশোনা করেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

এছাড়া বিল্লাল রূপগঞ্জের বাসিন্দা আব্দুল মান্নানের মেয়ে জ্যোতিকে ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী বিয়ে করেন। তাদের সংসারে দুই বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।

শেষকৃত্য নিয়ে বিরোধের কারণে এতদিন বিল্লালের মরদেহ পুলিশের তত্ত্বাবধানে হিমঘরে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। হাইকোর্টের নির্দেশ পাওয়ার পর মরদেহটি স্ত্রী জ্যোতির কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে জানাজা শেষে মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।


 

September 17, 2026

৬৫ বছরে নির্মম জীবনযুদ্ধ: অসুস্থ স্বামীকে বিছানায় রেখে দিনমজুরিতে বেঁচে আছেন অবলা


জীবনের সায়াহ্নে এসে যে বয়সে সন্তান-সন্ততি আর স্বজনদের সান্নিধ্যে একটু নিশ্চিন্ত সুখে দিন কাটানোর কথা, সেই ৬৫ বছর বয়সে এক নির্মম জীবনযুদ্ধের মুখোমুখি নড়াইলের অবলা বাগচী। পক্ষাঘাতগ্রস্ত ও তীব্র ব্যাধিতে আক্রান্ত স্বামীকে বিছানায় ফেলে রেখে প্রতিদিন বেঁচে থাকার তাগিদে ঘরের বাইরে ছুটতে হচ্ছে এই বৃদ্ধাকে। অভাব আর জরা চারদিক থেকে ঘিরে ধরলেও তার কপালে জোটেনি সন্তানদের এতটুকু ছায়া।

নড়াইল সদর উপজেলার সিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামে অন্যের এক চিলতে জমিতে কোনোমতে মাথা গুঁজে আছেন অবলা বাগচী ও তার স্বামী সমীর বাগচী। একসময় এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে তাদেরও ছিল ভালোবাসায় ঘেরা ছোট এক সুখের সংসার। কিন্তু কালের নির্মম আবর্তে সন্তানরা নিজেদের জীবন গুছিয়ে নিলেও ভুলতে বসেছে জন্মদাত্রী মা আর জরাজীর্ণ বাবাকে। বার্ধক্যে বাবা-মায়ের কোনো খবরাখবরই তারা নেন না।

সংসারে স্থায়ী বলতে কিছুই নেই। অসুস্থ সমীর বাগচী দীর্ঘদিন ধরে বিছানায় ছটফট করছেন চিকিৎসাবিহীন। স্বামী পক্ষাঘাতগ্রস্ত হওয়ার পর সংসারের পুরো দায়ভার একাই নিজের কাঁধে তুলে নেন অবলা। বয়সের ভারী বোঝা উপেক্ষা করে কখনো অন্যের জমিতে জন খেটে সবজি চাষ করেন, আবার কখনো ছাগল চড়িয়ে যে সামান্য আয় করেন—তা দিয়েই আধপেটা খেয়ে বেঁচে আছেন তারা।

দুই চোখের জল মুছে অবলা বাগচী আক্ষেপের সুরে বলেন, ‘স্বামীর ওষুধ কেনার টাকা জোগাড় করতে পারি না, নিজের খাওয়ারও ঠিক নেই। অভাবের সংসার, রক্ত জল করা সন্তানরাও আজ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তবে শত কষ্টের মধ্যেও সন্তানদের বিরুদ্ধে আমার কোনো অভিযোগ নেই, ওরা ভালো থাকুক।’

নিজেদের মাথার ওপর ছাদ নেই, নেই কোনো সুনির্দিষ্ট আয়ের উৎস। যে বয়সে বিশ্রাম নেওয়ার কথা, সেই বয়সে অসুস্থ স্বামীর মুখের দিকে তাকিয়ে অকাতরে ঘাম ঝরাচ্ছেন এই অবলা নারী। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এই বৃদ্ধ বয়সে অবলা বাগচীর এই মানবিক লড়াই বুক ফাটিয়ে দেয়। বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষরা যদি একটু সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দিতেন, তবে হয়তো জীবনের শেষ দিনগুলোতে একটু শান্তিতে নিঃশ্বাস ফেলতে পারতেন এই অবহেলিত দম্পতি।


September 17, 2026

সুইমিংপুলে কীভাবে মারা গেলেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থী, যা জানা গেল

সিলেট নগরীর এয়ারপোর্ট রোডের চৌকিদিঘী এলাকার ‘ব্রিটেনিয়া সুইমিংপুলে’ সাঁতার কাটতে নেমে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিক্ষার্থীর নাম দিপাঞ্জন ঘোষ প্রিয়ম (২১)।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, তার পৈতৃক নিবাস সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে। তবে তার পরিবার ঢাকার মোহাম্মদপুরে থাকেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন সুরমা আবাসিক এলাকার একটি মেসে থাকতেন।

নিহতের সহপাঠী ফায়াজ নবী জানান, তারা তিন বন্ধু নিয়মিতই সেখানে সাঁতার কাটতে যেতেন। এদিন প্রিয়মও তাদের সঙ্গে যাওয়ার কথা বলে এবং জানায় সে সাঁতার জানে। বিকেল ৫টার দিকে সাঁতার শুরু হয়। সাঁতার কাটতে নেমে প্রিয়ম দু-একবার ৯ ফুট গভীর পানিতে যায়, আবার ফিরেও আসে। সবাই যখন সাঁতারে ব্যস্ত, তখন সে আবার ৯ ফুট গভীর পানিতে চলে যায়—তা কেউ খেয়াল করেনি। হঠাৎ ৫টা ৪৫ মিনিটের দিকে তাকে ৯ ফুট গভীর পানি থেকে সুইমিংপুলের স্টাফরা তুলে আনেন। তৎক্ষণাৎ শরীরে ঝাঁকুনি দেয়, সে বমি করে এবং নিঃশ্বাস নিচ্ছিল। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ব্রিটেনিয়া সুইমিংপুলের ইনস্ট্রাক্টর আমিরুল ইসলাম আবু জানান, নিয়ম অনুযায়ী সাঁতার না জানলে ৬ ফুটের বেশি গভীর পানিতে নামতে নিষেধ করা হয়। কিন্তু তিনি ৯ ফুট গভীর এলাকায় চলে গিয়েছিলেন। তিনি জানান, এক কর্মী তাকে পানির কিছুটা নিচে চিত হয়ে ভেসে থাকতে দেখলে তাকে উদ্ধার করে ঝাঁকুনি দেওয়া হয়। তখন সে বমি করে এবং হালকা নিঃশ্বাস নিচ্ছিল। পরে তাকে নূরজাহান হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শাবিপ্রবির প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মুখলেসুর রহমান বলেন, ‘দুর্ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। মরদেহ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হবে।’ তিনি বলেন, সুইমিংপুল কর্তৃপক্ষের কোনো অবহেলা বা তদারকির ঘাটতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। গাফিলতি প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিলেটের বিমানবন্দর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা আব্দুস সালাম জানান, পাঁচজন শিক্ষার্থী সুইমিংপুলে সাঁতার কাটতে গিয়েছিলেন। ডুবন্ত অবস্থায় এক শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

নূরজাহান হাসপাতালের পরিচালক ডা. নাসিম আহমদ জানান, ওই শিক্ষার্থীকে মৃত অবস্থায়ই হাসপাতালে আনা হয়েছে।


 

Wednesday, September 16, 2026

September 16, 2026

বাগদান শেষে বিয়ের প্রস্তুতির মধ্যেই বাসের চাপায় প্রাণ গেল শুভর

বাগদান শেষে অগ্রহায়ণ মাসে বিয়ের দিন ঠিক হয়েছিল শুভঙ্কর মণ্ডল শুভ ও মিতা রানী মণ্ডলের। দুই পরিবারে চলছিল বিয়ের প্রস্তুতি। কিন্তু সেই আনন্দ আর পূর্ণ হলো না। কর্মস্থলে যাওয়ার পথে বিআরটিসি বাসের চাপায় প্রাণ হারান শুভ।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বংশীপুর লস্কর ফিলিং স্টেশনের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাফিউল ইসলাম তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত শুভঙ্কর মণ্ডল শুভ (৩১) খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরী গ্রামের দুর্গাপদ মণ্ডলের ছেলে। তিনি বাগেরহাটের রামপাল পাওয়ার প্ল্যান্টের খুলনা অপারেশন অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

শুভর মামাতো ভাই সুজিত কুমার জানান, সোমবার বিকেলে শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের মথুরাপুর গ্রামে মিতা রানীকে দেখতে যান শুভ। পরে দুই পরিবারের সম্মতিতে অগ্রহায়ণ মাসে বিয়ের দিন ঠিক হয় এবং তাদের বাগদান সম্পন্ন হয়।

তিনি আরও জানান, রাতে মুন্সিগঞ্জে এক আত্মীয়ের বাড়িতে থাকেন শুভ। মঙ্গলবার সকালে কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য মোটরসাইকেলে রওনা হলে পথে মুন্সিগঞ্জ থেকে খুলনাগামী একটি বিআরটিসি বাস তার মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি রাস্তায় পড়ে গেলে বাসটি তাকে চাপা দিয়ে চলে যায়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সুজিত কুমার বলেন, শুভর মৃত্যুর খবরে মিতার স্বপ্নের সংসারের পরিকল্পনা মুহূর্তেই ভেঙে যায়। বিয়ের মাধ্যমে যার সঙ্গে নতুন জীবন শুরুর অপেক্ষায় ছিলেন, তাকেই হারিয়ে শোকে ডুবে গেছেন তিনি।

ওসি শাফিউল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়। সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার বিকেলে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর বিআরটিসি বাস ও চালককে আটক করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও জানান, নিহতের ফুফাতো ভাই সুজিত বাদী হয়ে মঙ্গলবার দুপুরে থানায় এজাহার দিয়েছেন। পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার পর বাসটি জব্দ করা হয়েছে এবং চালককে আটকের চেষ্টা চলছে।


 

September 16, 2026

দুর্গাপূজার ছুটি কারা পাবেন, কারা পাবেন না

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০২৬ সালে সরকারি ছুটি থাকবে দুই দিন। সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি এবং বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি থাকবে। অর্থাৎ দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটির হিসাবে মোট দুই দিন ছুটি পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

সরকারি ছুটির বাইরে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য দুর্গাপূজা উপলক্ষে আরও দুই দিনের ঐচ্ছিক ছুটির ব্যবস্থা রয়েছে। ১৮ অক্টোবর রোববার মহাসপ্তমী এবং ১৯ অক্টোবর সোমবার মহাষ্টমী উপলক্ষে তাঁরা এই ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারবেন।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ছুটি থাকবে। তবে ছুটির সময়সীমা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে নিজস্ব একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী পূজার ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে। ফলে একেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির সময়সীমায় পার্থক্য থাকতে পারে।

সরকারি ছুটির দিনে সাধারণত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শাখা বা কিছু জরুরি সেবা চালু থাকতে পারে। এছাড়া এটিএম, কার্ড ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো ডিজিটাল সেবাগুলো সাধারণত চালু থাকে।

সরকারি ছুটি ঘোষণা হলেও জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবার সঙ্গে যুক্ত সব কর্মী ছুটি নাও পেতে পারেন। হাসপাতাল, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহসহ বিভিন্ন জরুরি সেবার কর্মীদের ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন করতে হতে পারে। গণমাধ্যমকর্মীদের ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য।

এছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে ছুটি দেওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। তাই সরকারি ছুটি থাকলেই সব প্রতিষ্ঠানের সব কর্মী একই সময়ে ছুটি পাবেন, এমনটি নয়। দুর্গাপূজা উপলক্ষে কোথায় কতদিন ছুটি থাকবে, তা জানতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত ছুটির নোটিশ অনুসরণ করাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য।


 

Tuesday, September 15, 2026

September 15, 2026

বাংলাদেশের হরিজন সম্প্রদায়ের প্রথম আইনজীবী অ্যাডভোকেট বিশ্বনাথ বাঁসফোর


বাংলাদেশের হরিজন সম্প্রদায়ের ইতিহাসে কিছু মানুষ আছেন, যাদের অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, পুরো সম্প্রদায়ের জন্য গর্বের বিষয়। তেমনই এক গর্বিত নাম স্বর্গীয় শ্রী অ্যাডভোকেট বিশ্বনাথ বাঁসফোর।

বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইলের এই কৃতি সন্তান ছিলেন বাংলাদেশের হরিজন সম্প্রদায়ের প্রথম আইনজীবী। সংগঠনিক পর্যায়ের দায়িত্বশীল ও সিনিয়র ব্যক্তিদের বক্তব্য অনুযায়ী, অ্যাডভোকেট বিশ্বনাথ বাঁসফোরই বাংলাদেশের হরিজন সম্প্রদায়ের প্রথম আইনজীবী।

শুধু আইনজীবী হিসেবেই নয়, তিনি অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে ময়মনসিংহ জজকোর্টের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি তিনি হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটির গুরুত্বপূর্ণ পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

একজন হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ সেই সময়ে আইন পেশায় প্রতিষ্ঠিত হয়ে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন, এটি নিঃসন্দেহে আমাদের ইতিহাসের একটি গর্বের অধ্যায়।

আজকের প্রজন্মের অনেকেই হয়তো জানেন না, আমাদের সম্প্রদায়ের পথচলায় এমন একজন গুণী মানুষের অবদান ছিল। অ্যাডভোকেট বিশ্বনাথ বাঁসফোর শুধু একটি নাম নন, তিনি আমাদের গর্ব, আমাদের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

‘হরিজন সংস্কার TV’-এর পক্ষ থেকে এই মহান ব্যক্তিত্বের বিদেহী আত্মার প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। আমাদের গৌরবময় ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পোস্টটি শেয়ার করুন।


 

September 15, 2026

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে পাঁচটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি

অনেক সময় বড় কোনো ভুল নয়; বরং ছোট ছোট অবহেলাই সম্পর্কের রং ফিকে করে দেয়। তাই সম্পর্ক সুন্দর, নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী রাখতে পাঁচটি বিষয় সব সময় মনে রাখা জরুরি।

১. গোপন কথা ঝগড়ার অস্ত্র বানাবেন না

কেউ যদি আপনাকে বিশ্বাস করে গোপন কিছু বলে, ঝগড়ার সময় সেই কথা ভুলেও তুলবেন না। আবেগময় মুহূর্তে সে হয়তো নিজের দুর্বলতা বা বিশেষ কোনো ঘটনার কথা শেয়ার করেছে। সেটি ঝগড়ার সময় ব্যবহার করলে বিশ্বাস ভঙ্গ হয়।

২. মুড অনুযায়ী যোগাযোগ বন্ধ করবেন না

হুট করে নিজের মুড অনুসারে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া, আবার সুবিধামতো সময়ে যোগাযোগ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সম্পর্কের জন্য ‘রেড ফ্ল্যাগ’। সময়ের দরকার হলে তা স্পষ্টভাবে জানিয়ে সময় নিন, তারপর ফিরে আসুন।

৩. রাগ প্রকাশের কৌশল শিখুন

মর্মাহত বা রাগান্বিত অবস্থায় অপর পক্ষকে অসম্মান না করে সুন্দরভাবে বিষয়টি বোঝানো সম্পর্কে খুবই প্রয়োজনীয় একটি ‘আর্ট’।

৪. ছোট ছোট বিষয়কে অবহেলা করবেন না

সম্পর্ক টিকে থাকে ‘লিটল থিংস’-এর ওপর ভর করে। কখনোই সম্পর্ককে ‘টেকেন অ্যাজ ফর গ্রান্টেড’ হিসেবে নেবেন না, যাতে ছোট ছোট বিষয় হারিয়ে যেতে থাকে। এসব হারানোর মানেই হলো সম্পর্ক ফিকে হয়ে আসা।

৫. মন দিয়ে শুনুন

সঙ্গীর কথা মন দিয়ে শুনুন। একজনের কথা বলা শেষ হলে তারপরই অপরজন বলুন। এই ছোট্ট অভ্যাসই সম্পর্ককে অনেক অপ্রয়োজনীয় সংঘাত থেকে বাঁচিয়ে দেবে।


 

"
"